নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে এক মাছ ব্যবসায়ীর বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই ব্যবসায়ীর এক তরুণী মেয়েকে শ্লীলতাহানিরও অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে রামহরিতালুক গ্রামের হাসেম মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দেড় বছর আগে পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে ইসমাইল হোসেন লিটনের বড় ভাই মো. হানিফ তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার নেন। দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে কয়েক দফা বিরোধ ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেন ইসমাইল।
পরিবারটি জানায়, পরবর্তী সময়ে একটি ঘটনায় ইসমাইলের পরিবারের চার সদস্য আহত হলে তার স্ত্রী নাজমা আক্তার বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই পাঁচজনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি তুলে নিতে আসামিদের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ তাদের।
অভিযোগ করা হয়, এর জেরে সোমবার দুপুরে মো. করিমের নেতৃত্বে শফিক, অন্তরসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইসমাইলের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পরে ঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং নগদ টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়। একই সময় ইসমাইলের মেয়ে মিশু আক্তারকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।
স্থানীয়রা বলেন, প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলার ঘটনায় তারা আতঙ্কিত। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
তবে প্রধান অভিযুক্ত মো. করিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইসমাইলের পরিবার নিজেরাই ঘর ভাঙচুর করেছে। তার বিধবা বোন জেসমিন আক্তারকে ওই পরিবার বিভিন্ন সময় হয়রানি করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









