কারখানা রাখা হচ্ছিল নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ চিপস। খোলা জায়গায় শুকানো হচ্ছিল চিপস, ব্যবহার করা হচ্ছিল নিষিদ্ধ রং। এমনকি পশুখাদ্যের পাশেও চিপস শুকানো ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এসব অনিয়মের দায়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি চিপস কারখানার মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে সৈয়দপুর শহরের কয়া মিস্ত্রিপাড়া-হিন্দুপাড়া এলাকায় মেসার্স নাওয়াজ হাসকিং মিলসের চাতালের ভেতরে থাকা ওই চিপস কারখানায় অভিযান চালায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে কারখানাটিতে চিপস তৈরিতে নিষিদ্ধ রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি ভালো চিপসের সঙ্গে নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ চিপস একসঙ্গে রাখা, খোলা পরিবেশে চিপস শুকানো এবং পশুখাদ্যের সঙ্গে চিপস সংরক্ষণের মতো গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। পরে এসব অনিয়ম ও খাদ্য নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিক নাসিম ওরফে ‘চিপস গুড্ডু’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। তিনি ঘটনাস্থলেই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নীলফামারী জেলা কর্মকর্তা মো. সিহাব উদ্দিন, সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আলতাফ হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানো ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণে কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কর্মকর্তা মো. সিহাব উদ্দিন বলেন, খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









