নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে এক যুবতীকে (২৯) ডেকে এনে ভাড়া বাসায় সাত দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাতে তারাব পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকা থেকে পুলিশ ওই যুবতীকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় রবিবার (২৩ আগস্ট) রূপগঞ্জ থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে গত ১৫ আগস্ট তাকে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর থেকে রূপগঞ্জে ডেকে আনেন আলমগীর। পরে বরপা শান্তিনগর এলাকায় একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে তাকে রাখেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কক্ষে আলমগীরের সঙ্গে তার কয়েকজন সহযোগী মাদক সেবন করতেন। একপর্যায়ে যুবতীকে জিম্মি করে সাত দিন ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়। এ সময় তাকে ভয়ভীতি দেখানোসহ বিষয়টি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।
শনিবার ভাড়া বাড়ির মালিক বিষয়টি আঁচ করতে পেরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবতীকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আলমগীর, শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবন, রুনা ও পাপীয়াকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আলমগীর, রুনা ও পাপীয়াকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম বলেন, ‘‘এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









