গ্রাম আদালতের তথ্য ব্যবস্থাপনা সহজ ও আধুনিকায়ন করা গেলে প্রান্তিক মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ অনেক বেশি সুগম হবে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত ‘গ্রাম আদালত তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি’ বিষয়ক এক আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবাপ্রাপ্তি সহজ ও সাশ্রয়ী করতে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাসমূহ ডিজিটাল করা হয়েছে। গ্রাম আদালতের মামলা কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত থাকায় তথ্যে কোনো ধরনের কারচুপি করার সুযোগ নেই। এটি বিচারপ্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করে তুলেছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারাই গ্রাম আদালত কার্যক্রমের প্রাথমিক ভিত্তি। মামলার নথিপত্র যাচাই-বাছাই ও উপস্থাপনে কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। নিরপেক্ষতা বজায় রেখেই প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
আইনে নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ক্ষেত্রবিশেষে সময় বাড়ানোর বিধান থাকলেও মাঠপর্যায়ে বছরের পর বছর মামলা ঝুলিয়ে রাখা আইনের পরিপন্থী। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্রুত বিচার শেষ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাগিদ দেন তিনি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক উপমা ফারিসা এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফরিদা সুলতানা।
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে বরিশাল জেলার ৩৫টি ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ অংশ নেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









