শরীরের অভ্যান্তরে স্বর্ণবার লুকিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল ইমিগ্রেশানে আগত আল মামুন (৪৭) নামের এক পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করে কাস্টমস গোয়েন্দা সদস্যরা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশান চত্তর থেকে মামুনকে আটক করে কাস্টমস গোয়েন্দা সদস্যরা। এরপর শুরু হয় নাটকীয়তা। অভিযোগ ওঠেছে যাত্রী আটকের পরপরই গণমাধ্যমকর্মীদের ডাকলেও অদৃশ্য কারণে শেষ পর্যন্ত আটক সংক্রান্তে পরিপূর্ণ তথ্য দেইনী গোয়েন্দা শাখাসহ কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা শাখার দেওয়া তথ্য সূত্রে জানা যায়,চোরাচালান সংক্রান্ত গোপণ তথ্যের ভিত্তিতে ভারতগামী সন্দেহভাজন যাত্রী আল মামুনকে আটকিয়ে তল্লাশী করা হয়। এসময় তার কাছে কোন স্বর্ণ না পাওয়ায় ওই যাত্রীর শরীর এক্স-রে করা হয়। এতে তার রেকটামে স্বর্ণসদৃশ বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়। এক পর্যায়ে সে তার শরীরের স্বর্ণ বহণের কথা স্বীকার করলে ৮২ গ্রাম ওজনের দুটি স্বর্ণবার উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য ১৪ লাখ ৭০হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণবার বেনাপোল কাস্টমস হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করে বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল।
তবে স্বর্ণ উদ্ধার হওয়া মামুনের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেইনী। সংবাদ লেখা কালীন সময়ে স্বর্ণবহণকৃত ব্যাক্তি মামুনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশানে স্বর্ণ আটকের প্রক্রিয়াটি জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ। এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের উপ-পরিচালক আবু সেলিম মোহাম্মদ মোশারাফ হোসেন ভুঁইয়ার মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করেও রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যাইনী।
গণমাধ্যমের নিকট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আটক সম্পর্কে পরিপূর্ণ বক্তব্য না দেওয়াকে রহস্যজনক হিসাবে দেখছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









