যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আবার হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
রবিবার দেশটির সামরিক নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এ কথা জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন কোনো ভুল করলে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও সেনা মোতায়েনের স্থানগুলোতে পাল্টা হামলার হুমকিও দিয়েছে তারা।
খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, পাওয়া তথ্য অনুযায়ী অপরাধী আমেরিকা ইউরোপের একটি দেশে অনুষ্ঠিত এক যৌথ বৈঠকে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক কিছু দেশের সবুজ সংকেত ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
আঞ্চলিক দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি দ্বিমুখী নীতি চালিয়ে গিয়ে অঞ্চলের দেশগুলো যদি মহাশয়তান যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পক্ষে দাঁড়ায়, তাহলে সবাইকে এই অন্যায়ের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে। তখন ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে তারা আর সংযম বা শালীনতা আশা করতে পারবে না।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালায়, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বা অন্যান্য মার্কিন স্বার্থ রয়েছে।
এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়।
জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি হয়। এতে সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ছিল।
তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই দেশের মতবিরোধের কারণে পরে ওই চুক্তি ভেঙে যায়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









