চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছে পৌরসভা। প্রতিটি ওয়ার্ডে গঠিত আটটি টিম নিয়মিত মশক নিধন, কীটনাশক স্প্রে, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে চলমান পরিস্থিতিতে অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নামো-নিমগাছি, শিবপুর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায় ৮ নম্বর টিম। এ সময় ফগার মেশিনে মশক নিধনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে কীটনাশক ছিটানো হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংও করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন পৌরসভার কর নির্ধারক ও পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি মো. এনামুল হক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নওরোজ হুদা এবং পৌর কর্মচারী সংসদের সম্পাদক আজিজ খাঁন। এতে রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসের সদস্যসহ পৌরসভার কর্মচারীরা অংশ নেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সচিব মামুন অর রশিদ বলেন, পৌরসভার আটটি টিম একই সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে।
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সর্বশেষ পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া মনিরুজ্জামান মনির বলেন, শুধু ফগিং বা ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নিয়মিত জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পৌরসভার অভিযান আরও ব্যাপক ও কার্যকর করা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে ময়লা-আবর্জনা ফেললে পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সহজ হবে। পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশে পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত নজরদারি করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে পৌরসভার মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে চলমান ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ আরও শক্তিশালী ও নিয়মিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









