ভোলার মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা-মারধরের ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। পরে গ্রাহকেরা বিক্ষোভ-মিছিল করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেন। অন্যদিকে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সদর ডাকবাংলো মোড়ের ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির এবং হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎ গ্রাহক শরিফ, আক্তার, সোহাগ ও নিরব।
স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাতে মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধর করা হয়। অতিরিক্ত সময় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকৌশলী মনির।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকেরাই তার ওপর হামলা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেছেন।
মনপুরা আবাসিক প্রকৌশলী মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, পাওয়ার হাউসের তিনটি মেশিনের মধ্যে দুটি নষ্ট থাকায় একটি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। একটি মেশিন এনে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
মনপুরা থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকেরা বিক্ষোভ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেন। ইউএনওর দায়িত্বে থাকা তজুমদ্দিনের সহকারী কমিশনার তড়িৎ চন্দ্র শীল বলেন, স্মারকলিপি পাওয়া গেছে; বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









