ঢাকার ধামরাইয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ঘরে আটকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রবিন হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা করেছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের ভুড়বাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিয়াকত খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পাশের কৃষিজমিতে কাজ করতে যান। এ সময় তরুণীটি জুতা কেনার জন্য পাশের একটি ভ্যানের কাছে গেলে অভিযুক্ত রবিন হোসেন তাকে ‘তোমার মা ডাকছে’ বলে ফুসলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে বাড়ির বারান্দায় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তরুণীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
পরে স্বজনরা ভুক্তভোগীকে প্রথমে কালামপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, “আমরা দিনমজুর। আত্মীয়তার সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এমন জঘন্য কাজ করা হয়েছে। থানায় মামলা করার পরও কেন পুলিশ তাকে ধরতে পারছে না? আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।”
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিয়াকত খান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত রবিন হোসেন ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









