এলো হেমন্ত ছড়ালো মন্ত্র বাংলার ঘরে ঘরে। আজ পয়লা কার্তিক, হেমন্তের শুরু। দিগন্ত বিস্তৃত আমন ধানী মাঠের মৌ মৌ ঘ্রাণ আর ঘরে ঘরে নবান্ন উৎসব নিয়ে হেমন্তের শুরুতেই উত্তরের জেলা পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় সকালের ঘন কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। সারাদিনের গরম শেষে গভীর রাতে শুরু হচ্ছে হালকা হিমেল হাওয়া, সঙ্গে নামছে কুয়াশা। হালকা শীতের এই কুয়াশা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।
গতকাল শুক্রবার ভোরে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কুয়াশার কারণে প্রকৃতিতে ভিন্ন আমেজ দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন টানা গরমের পর কুয়াশামাখা পরিবেশে পেয়ে উচ্ছ্বসিত মানুষ। এদিকে, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, শিম, টমেটো, লাল লালশাকসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন ভোরে বেশ কুয়াশা পড়ছে। এখন আর রাতে ফ্যান চালানো যাচ্ছে না। রাতে কাঁথা,পাতলা কম্বল জড়িয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। তবে ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শীত আসতে আরও কিছু দিন দেরি আছে।
ভাঙ্গুড়ার বিশিষ্ট রাজনৈতক ব্যাক্তিত্ব ও সমাজকর্মী প্রভাষক সরদার জাফর ইকবাল হিরোক বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শেষ রাতে ও সকালে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। শীতের
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শুধু আবহাওয়া নয়, এক জীবন্ত অনুভূতি। ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর কুয়াশার আবছা দৃশ্য বলে দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব-উল-আলম বাবলু এদিনকে বলেন, চারদিকের সাদা কুয়াশা গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে এনে দিয়েছে এক নতুন আমেজ। শিশিরভেজা ঘাস আর ঠান্ডা বাতাস যেন আগেভাগেই শীতের খবর দিচ্ছে। হেমন্ত প্রকৃতিতে তাই এখন শীতের অপেক্ষা নয়, বরং শীতের পদধ্বনিই বেশি স্পষ্ট।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









