কার্তিকের শুরুতেই পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। ভোরের আলো ফুটতেই রাস্তাঘাট, ফসলের মাঠ ও জনপদ ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশার চাদরে। ঘন কুয়াশার ফাঁক দিয়ে আবছাভাবে উঁকি দিচ্ছে সূর্য।
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শরতের বিদায় আর হেমন্তের আগমনে গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে স্নিগ্ধ পরিবেশ। ভোরের কুয়াশা আর সূর্যের মৃদু আলোয় চলনবিলের বিস্তীর্ণ জনপদে ফুটে উঠছে প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য। কুয়াশায় ঢাকা মাঠ, সড়ক ও গাছপালা যেন জানান দিচ্ছে শীতের আগমনের কথা।
চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল, মির্জাপুর, অষ্টমনিষা, ধর্মগাছা, জীবননগর ও জার্দিসমোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় সকালে দেখা মিলছে কুয়াশাচ্ছন্ন প্রকৃতির। একই চিত্র গুরুদাসপুর, কাছিকাটা, হাটিকুমরুল মহাসড়ক ও মান্নাননগর এলাকাতেও। কুয়াশার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে তৈরি করছে মুগ্ধতা।
শীতকালকে ঘিরে গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা প্রত্যাশা। নতুন ধানের ঘ্রাণ, শীতকালীন সবজির সমারোহ আর কুয়াশায় মোড়ানো সকাল—সব মিলিয়ে হেমন্তের এই সময় কৃষিপ্রধান চলনবিল অঞ্চলে নিয়ে আসে ভিন্ন আমেজ। নতুন ধান ঘরে তোলার মৌসুম ঘিরেও কৃষকদের মধ্যে থাকে ব্যস্ততা।
তবে কার্তিকের শুরুতে কুয়াশার উপস্থিতি শীতের আগমনী অনুভূতি দিলেও শীতের তীব্রতা বাড়তে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের এই আবহে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে শীতের আমেজ অনুভূত হতে শুরু করেছে।
সব মিলিয়ে, চলনবিল অধ্যুষিত চাটমোহরসহ আশপাশের জনপদে সকালের কুয়াশা ও আবছা সূর্যের আলোয় ধরা দিচ্ছে গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপ। প্রকৃতির এই স্নিগ্ধ দৃশ্যপট জানান দিচ্ছে, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে শীতের মৌসুম।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









