বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

যশোরে জলাবদ্ধতায় বোরো আবাদ থেকে বঞ্চিত প্রায় ১৩ হাজার বিঘা জমি

প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম

আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

যশোরে জলাবদ্ধতায় বোরো আবাদ থেকে বঞ্চিত প্রায় ১৩ হাজার বিঘা জমি

যশোরের ভবদহ অঞ্চলের বেশিরভাগ বিল ভরে আছে গত বর্ষার পানিতে। বিলের কোথাও কোমর সমান আবার কোথাও বুক সমান পানি। বিলের জমিতে এলাকার বেশিরভাগ কৃষক এবারও বোরো ধানের চাষ করতে পারেননি। যশোরের মণিরামপুর, অভয়নগর, ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ ভবদহ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

ভবদহ অঞ্চলে অন্তত ৫২টি ছোট-বড় বিল আছে। মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদ-নদীর জোয়ারভাটার সঙ্গে এসব বিলের পানি ওঠানামা করে। কিন্তু পলি পড়ায় নদীগুলো নাব্যতা হারিয়েছে। ফলে এসব নদী দিয়ে এখন ঠিকমতো পানি নিষ্কাশন হয় না। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টিতে এলাকার বিলগুলো প্লাবিত হয়। বিল উপচে পানি ঢোকে বিলসংলগ্ন গ্রামগুলোতে। সর্বশেষ গত বছরের ভারী বৃষ্টিপাতে মনিরামপুর, অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলার বিলসংলগ্ন গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে। এসব গ্রামের বেশিরভাগ ঘরবাড়ি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট এবং মাছের ঘের পানিতে প্লাবিত হয়। পান্দিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েন দুই লাখেরও বেশি মানুষ। এরপর ভবদহে শ্রী ও হরি নদীতে মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে পাইলট (পরীক্ষামূলক) চ্যানেল কাটার কাজ শুরু করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। একপর্যায়ে বাড়িঘর থেকে পানি নেমে যায়। কিন্তু এখনো এই অঞ্চলের বেশিরভাগ বিল পানিতে তলিয়ে রয়েছে।

কৃষি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডিসেম্বর থেকে শুরু করে এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুম। বোরোর বীজতলা তৈরির সময় ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। বোরো ধানের চারা রোপণের সময় ১ থেকে ৩১ জানুয়ারি। নাবিতে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধানর চারা রোপন করা যায়।

মনিরামপুর, অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা তিনটির ভবদহ অঞ্চলে কৃষক আছেন প্রায় ৫০ হাজার। ওই অঞ্চলে ২৪ হাজার ৯০৪ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হতো। এর মধ্যে অভয়নগর উপজেলায় ৭ হাজার ৪০০ হেক্টর, কেশবপুর উপজেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর এবং মনিরামপুর উপজেলায় ১২ হাজার ১০৪ হেক্টর। এর মধ্যে এবার ১৭ হাজার ৬৬১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে এবার উপজেলার তিনটির ৭ হাজার ২৪৩ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়নি। এর মধ্যে অভয়নর উপজেলায় ১ হাজার ২৯০ হেক্টর, কেশবপুর উপজেলায় ২ হাজার ১৩০ হেক্টর এবং মনিরামপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৮২৩ হেক্টর জমি রয়েছে। 

স্থানীয়রা জানায়, গত বছর এই অঞ্চলে ১৬ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার ১ হাজার ৪ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। গত এক সপ্তাহে ভবদহ অঞ্চলের অন্তত ১০টি বিল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বিলগুলো ভরে আছে পানিতে। বিল বোকড়, বিল কেদারিয়া, বিল কপালিয়া, বিল ডুমুর, বিল ঝিকরা, বিল গান্ধীমারি, বিল গজালমারি ও বিল পায়রায় শুধু পানি আর পানি। কোনো কোনো বিলের উপরের অংশ চারদিকে বাঁধ দিয়ে সেচযন্ত্র দিয়ে সেচে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ বিলে কোনো ধানখেত নেই। বিলের পানিতে ভাসছে কিছু আগাছা, কচুরিপানা আর শাপলা।

মণিরামপুর উপজেলার নেবুগাতী গ্রামের কৃষক বিমল রায়ের (৬৮) বিল বোকড়ে জমি আছে ৯ বিঘা (৪২ শতকে বিঘা)। এর মধ্যে বিলের একটি মাছের ঘেরের মধ্যে তাঁর জমি আছে তিন বিঘা। সেচযন্ত্র দিয়ে সেচে তিনি এর মধ্যে দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। তিনি বলেন,‘বিল বোকড়ে মুক্তেশ্বরী নদীর এক পাশে আমার ৬ বিঘা জমি আছে। ওই জমিতে এখনও পাঁচ থেকে সাত ফুট জল। সেখানে বোরো ধান চাষ সম্ভব না। নদীর অপর পাশে তিন বিঘা জমি আছে। জল অনেকটা কম থাকায় জল সেচে এর মধ্যে দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান করেছি।’

বিল ডুমুরে ১৫ বিঘা (৫২ শতকে বিঘা) জমি আছে মনিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি গ্রামের কৃষক অসীম ধরের (৬৪)। ওই জমিতে বুক সমান পানি রয়েছে। এবার সেচযন্ত্র দিয়ে পানি সেচে তিনি আট বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। তিনি বলেন,‘বিলের ওপরের অংশে জল কম ছিল। সেচযন্ত্র দিয়ে সেচে আট বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। নিচের জমিতে অনেক জল। সেচের মতো অবস্থা নেই। ওই জমিতে ধান লাগানো সম্ভব হয়নি।’ অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন বলেন, ‘উপজেলার ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধ বিলের পানি সেচে বোরো চাষ করেছেন কৃষকেরা। জলাবদ্ধ এলাকায় গত বছরের চেয়ে এবার ১৪০ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।’

মণিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘ভবদহ এলাকার ছোট বিলগুলো সেচে বোরো চাষের জন্য কৃষকেরা উদ্যোগী হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত জলাবদ্ধ এলাকায় গতবছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে বোরোর চাষ হয়েছে। আরও কিছু জমিতে বোরো চাষ হতো। কিন্তু সেচের সময় বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে তলিয়ে যাওয়ায় ২৫৫ হেক্টর জমিতে শেষ পর্যন্ত বোরো ধান চাষ সম্ভব হয়নি।’

কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এলাকার কৃষকেরা ছোট বিলগুলো সেচে বোরো চাষের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু খননের জন্য নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দেওয়ায় শেষ সময়ে এসে নদী দিয়ে বিলের পানি নামতে পারেনি। পানি নামতে পারলে আরও অনেক বেশি জমিতে বোরো চাষ করা সম্ভব হতো।’ ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আব্দুল হামিদ বলেন, ‘কৃষি অফিস ভবদহ অঞ্চলের কৃষি জমি এবং জলাবদ্ধ কৃষি জমির যে তথ্য দিয়েছে তা ঠিক নয়। এ তথ্য অগ্রহণযোগ্য এবং বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে ভবদহ অঞ্চলের এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি জমিতে এবার বোরো চাষ হচ্ছে না।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোরের কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, ‘ভবদহ এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য নদী পুনঃখননের কাজ চলছে। নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে সেচে নদী শুকিয়ে পুনঃখননের কাজ করা হচ্ছে। এলাকার বিলগুলোতে বোরো আবাদের জন্য তিন বার পিছিয়ে গত ১ জানুয়ারি নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ভবদহ ২১-ভেন্ট স্লুইসগেটের ১২টি গেট খোলা ছিল। এজন্য নদীতে বাঁধ দেওয়ার আগেই এলাকার বেশিরভাগ পানি দ্রুত নেমে গেছে। এজন্য এলাকার বিলগুলোতে গত বছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।

যশোরের ভবদহ যেন এক দীর্ঘশ্বাসের নাম। চার দশক ধরে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে জলাবদ্ধতা কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং প্রতিদিনের বাস্তবতা। উঠানে পানি, রাস্তায় কাদা, বিলে ফসলহীনতা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এই চক্রেই আটকে আছে হাজারো পরিবার। চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার প্রায় ১৩ হাজার বিঘা জমিতে কৃষকরা আবাদ করতে পারেননি। নদ-নদী পলিতে ভরাট হওয়া, অপরিকল্পিত মাছের ঘের এবং পানি নিষ্কাশনের দীর্ঘস্থায়ী সংকট মিলিয়ে কেশবপুরে আবারও স্পষ্ট হয়েছে ভবদহের গলার কাঁটা হয়ে থাকার বাস্তবতা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভবদহের প্রভাবে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুফলাকাটি ইউনিয়ন। সেখানে ৯ হাজার ৩৬০ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ হয়নি। পাঁজিয়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৪৯৭ বিঘা, গৌরীঘোনা ইউনিয়নে ৩৭ বিঘা, মঙ্গলকোট ইউনিয়নে ৪১২ বিঘা, কেশবপুর ইউনিয়নে ২২৫ বিঘা এবং পৌর এলাকায় ১৫ বিঘা জমি পানির নিচে থাকায় কৃষকরা চাষ করতে পারেননি। সংখ্যাগুলো কাগজে কলমে যতটা সহজ, বাস্তবে তা ততটাই বেদনাদায়ক।

সরেজমিনে পাঁজিয়া ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা, মনোহরনগর এবং সুফলাকাটি ইউনিয়নের কালীচরণপুর ও বিল খুকশিয়া ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমি এখনো জলমগ্ন। কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও কোমর পানি। অনেক জায়গায় ধান চাষের বদলে জেগে আছে শ্যাওলা আর কচুরিপানা। জমির আইল ডুবে গিয়ে চাষের উপযোগিতা হারিয়েছে। বাড়ির আঙিনায় পানি জমে থাকায় মানুষকে নিত্যদিনের কাজেও বাড়তি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

বাগডাঙ্গা গ্রামের কৃষক বিষ্ণুপদ রায় জানান, তাদের বাড়ির উঠান থেকে পানি সেচ দিয়ে সরাতে হচ্ছে। কিন্তু বিলের পানি সরানোর উপায় নেই। আমাদের বিলে ১০-১২ বছর ধরে ঠিকমতো ফসল হয় না। বছরের প্রায় ছয় মাস বাড়িতে পানি থাকে। বোরো তো দূরের কথা, অনেক সময় আমনও ঠিকমতো হয় না, বলেন তিনি। তার কণ্ঠে হতাশা স্পষ্ট। কয়েক প্রজন্মের জমি এখন যেন নিষ্প্রাণ জলাশয়।

মনোহরনগর গ্রামের কলেজছাত্রী দিথী সরকার ও অনন্যা হালদার বলেন, প্রতি বছর একই পরিস্থিতির মধ্যে থাকতে থাকতে তারা মানসিকভাবে ক্লান্ত। বৃষ্টি হলেই ভয় লাগে। রাস্তাঘাট ডুবে যায়। স্কুল-কলেজে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। জলাবদ্ধতার মধ্যে থাকা মানে অসুস্থতা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ আর অস্বস্তি, জানায় তারা। তাদের কথায় উঠে আসে এক অদৃশ্য চাপ স্বাভাবিক জীবনের অভাব।

সুফলাকাটি ইউনিয়নের কালীচরণপুর গ্রামের কৃষক রণজিৎ মল্লিক বলেন, তাদের বিল এলাকায় গত ১৪ থেকে ১৫ বছর বোরো আবাদ হয়নি। একসময় যে জমিতে ধানের সবুজ ঢেউ দুলত, সেখানে এখন কেবল স্থির পানি। বোরো না হওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। গরুর জন্য খড় পাই না। অনেকেই বাধ্য হয়ে গরু বিক্রি করে দিয়েছে, বলেন তিনি। কৃষি নির্ভর পরিবারের জন্য এটি কেবল আর্থিক ক্ষতি নয়, জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তন। একই গ্রামের চন্দ্রনা মল্লিক জানান, জলাবদ্ধতার কারণে পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে ও দূষিত হয়ে পড়েছে। শিশুদের ত্বকের রোগ, জ্বর-সর্দি লেগেই থাকে। মশার উপদ্রবও বেড়েছে। পানি না নামলে শান্তি নেই, বলেন তিনি।

কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি মৌসুমে কেশবপুরে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৭৫০ হেক্টর আবাদ হয়েছে। তবে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধ অংশে প্রায় ১৩ হাজার বিঘা জমি অনাবাদি থেকে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, যে এলাকাগুলোতে পানি নেমে যায়নি, সেখানে বোরো আবাদ সম্ভব হয়নি। তবে নদ-নদী খনন কার্যক্রম চলমান আছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে কৃষকরা ভবিষ্যতে স্বাভাবিকভাবে আবাদ করতে পারবেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী ফিরোজ হোসেন জানান, নদ-নদী খনন শুরু হয়েছে। তার ভাষ্য, খনন শেষ হলে ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা থাকবে না। তখন কৃষকরা বোরোসহ অন্যান্য ফসল সুষ্ঠুভাবে আবাদ করতে পারবেন। সরকারি এ আশ্বাস নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

২৭ বিল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক বাবর আলী গোলদার ভিন্ন মত দেন। তার মতে, নদ-নদী খনন জরুরি হলেও তা একমাত্র সমাধান নয়। ভবদহ অঞ্চলের কোনো একটি বিলে জোয়ার আধার বা টিআরএম চালু না করলে নদীতে স্বাভাবিক স্রোত ফিরবে না। পলি জমে আবার ভরাট হবে। কয়েক বছরের মধ্যে জলাবদ্ধতা ফিরে আসবে, বলেন তিনি। তার দাবি, পরিকল্পিত টিআরএম বাস্তবায়নই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ।

কাওছার আল হাবীব/এদিন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.