পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র মঠবাড়িয়া-তুষখালী সড়কের পাশে শিক্ষক সমিতি ভবনের বিপরীতে ৮ কোটি টাকা মূল্যের ২৩ শতক ক্রয় কৃত সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। এ সম্পত্তির সুষ্ঠু বন্টন এবং দখল বুঝে পেতে ইসমাইল হাওলাদার গং এবং সেলিম হাওলাদার গং বিজ্ঞ আদালতে মামলা (২৬/২০২৬) দায়ের করেছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) স্থানীয় সাংবাদিকদের মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসমাইল হোসেন। ইসমাইল উপজেলার আন্ধার মানিক গ্রামের মৃত আবসার আলী হাওলাদারের ছেলে এবং সেলিম একই এলাকার মৃত জিন্নাত আলী হাওলাদারের ছেলে।
মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৫২ সনে মৃত প্রসন্নকুমার দাস এর ছেলে মহেন্দ্রনাথ দাস এর কাছ থেকে ইসমাইল হাওলাদারের ভাই শামসুল হক এবং সেলিম হাওলাদারের পিতা জিন্নাত আলী সাব কবলা দলিল মূলে ২৩ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন। যাহার মৌজা- মঠবাড়িয়া, জে এল- ২১, সাবেক দাগ- ১৬২৯, হাল দাগ-১৪৫০, সাবেক খতিয়ান- ১২০, বর্তমান খতিয়ান- ৫১৭. একই দাগ ও খতিয়ানে মোট সম্পত্তি ৯৩ শতাংশ। এই ২৩ শতাংশ সম্পত্তির বাদে অন্যান্য সম্পত্তি জমির মালিক মহেন্দ্র নাথ দাস এর অন্যান্য ওয়ারিসদের নিকট থেকে বর্তমান দখলদার ফরিদ আহমেদ মিঠুর দাদী আসিয়া খাতুন না দাবি চুক্তিপত্র দলিল মূলে ক্রয় করেন। সেই সুবাদে প্রভাবশালী ফরিদ আহমেদ মিঠু পুরো সম্পত্তি জবরদখলপূর্বক নিজের দখলে নেয়। এবং এই দখল দেখিয়ে অবৈধভাবে জমির রেকর্ড করিয়ে নেয়। এই ঘটনায় একাধিক শালীশ বৈঠক হলেও প্রভাবশালী মিঠু কাগজ পত্র না দেখিয়ে জমি নিজ দখলে রাখে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ মিঠু বলেন, কাগজপত্রে তারা জমি পেলে আমি ছেড়ে দেব। মিঠু টুকু জমাদ্দারের ছেলে।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাগজপত্র আমাদের অনুকূলে রয়েছে। আশা করছি বিজ্ঞ আদালত পর্যালোচনা শেষে আমাদের পক্ষেই রায় দিবেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









