শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

বনমোরগ উদ্ধার ও অবমুক্তি নিয়ে রহস্য, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

বনমোরগ উদ্ধার ও অবমুক্তি নিয়ে রহস্য, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া থেকে বন বিভাগ একটি বনমোরগ উদ্ধার ও অবমুক্তি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। বন কর্মকর্তা জব্দ বনমোরগটি অবমুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করলেও আদৌ বনমোরগটি ছিল কি না তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া বনমোরগটি অবমুক্ত না করে তার বদলে একটি দেশি মোরগ ছাড়ার ছবি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

জানা যায়, মাটিরাঙ্গা উপজেলার শান্তিপুর এলাকার এক ব্যক্তি স্থানীয় বাজার থেকে একটি বনমোরগ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে জালিয়াপাড়া রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনে তাঁকে আটক করে বন বিভাগ। পরে তাঁর কাছ থেকে মোরগটি উদ্ধার করা হয় এবং স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী রেখে তাঁর কাছ থেকে একটি মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব হোসেন জানান, বনমোরগটি আটক করার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং নিজের মুঠোফোনে এর ছবি তুলেছিলেন। যে মোরগ অবমুক্ত করার ছবি দেখানো হয়েছে, সেটির সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মোরগের কোনো মিল নেই।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জালিয়াপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া বনমোরগটি যথাযথভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে। গণমাধ্যমে পাঠানো ছবির সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মোরগের মিল না থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ছবিটি আসলে গত বছরের।

গত বুধবার জালিয়াপাড়া রেঞ্জ অফিসের সামনে থেকে একটি বিরল প্রজাতির বনমোরগ আটক করা হয়। পরবর্তীতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিসকাতুল তামান্নাকে অবগত করা হয়। গুইমারা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জব্দ বনমোরগটি গত ৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার, বনের নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।

গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিসকাতুল তামান্না বলেন, “বনমোরগটি আমাকে দেখানোর জন্য নিয়ে এসেছিলো। পরে বনমোরগসহ ছবি তোলা হয়। পরে মোরগটি বনে অবমুক্ত করার জন্য বলেছি।”

এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বন বিভাগের মাটিরাঙ্গা রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. জাভেদুর রহমান সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন পানছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ইলিয়াস চৌধুরী ও খাগড়াছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এস. এম. মোশারফ হোসেন।

খাগড়াছড়ির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা এ তদন্ত কমিটি গঠন করার কথা নিশ্চিত করেছেন।

টিআর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.