ড. গোলাম মহিউদ্দিন স্মৃতি সাংস্কৃতিক উৎসবের প্রতিযোগিতা পর্ব শেষ হয়েছে। এবারের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, নৃত্য, সঙ্গীত, একক নাটক, উপস্থিত বক্তৃতা, নির্ধারিত বক্তৃতা ও রচনা লিখনে অংশ নেয় রাজধানীর ৪০টিরও বেশি স্কুল-কলেজের আট শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বাড্ডা হাইস্কুলে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক উৎসব কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক এ এন রাশেদা।
তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার বিষয়গুলো পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের মনোজাগতিক বিকাশে অপরিহার্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্য সচিব শান্তনু কুমার দাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ড. গোলাম মহিউদ্দিন স্মৃতি গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাদশাসহ উৎসব পরিচালনা কমিটির সদস্য, বিচারক এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সম্মানিত শিক্ষকরা।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অবিরত শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক বরেণ্য প্রকৌশলী ড. গোলাম মহিউদ্দিন দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমৃত্যু অবদান রেখে গেছেন। প্রবন্ধকার ড. মহিউদ্দিন বিশ্বশান্তি পরিষদ ও আফ্রো এশীয় গণসংহতি পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
ড. মহিউদ্দিনের স্মৃতিতে আয়োজিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয় তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে। প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হবে ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকেল তিনটায় বাড্ডা আলাতুন্নেছা উচ্চ মাধমিক বিদ্যালয়ে ড. গোলাম মহিউদ্দিন স্মৃতি সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী আয়োজনে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









