ভোলায় ঘরে ঢুকে হালিমা বেগম নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার, জমির দলিল ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় তারা।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চানকাজী শিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিমা বেগম ওই বাড়ির বাসিন্দা মফিজল শিকদারের স্ত্রী।
ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, বুধবার রাতে হালিমা বেগমের স্বামী মফিজল শিকদার তারাবিহ নামাজ আদায়ের জন্য পাশের মসজিদে যান। এ সময় হালিমা বেগম নিজ ঘরে একাই ছিলেন। তারাবিহ নামাজ শেষে ঘরে ফিরে এসে মফিজল শিকদার দেখেন, তার স্ত্রী ঘরের চৌকিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে স্থানীয় এক চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. নাগর জানান, তারা তিন ভাই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে আলাদা বাড়িতে থাকেন। তাদের বাবা-মা মূল বাড়িতে বসবাস করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় ইফতার শেষে হালিমা বেগম ছোট ছেলে হারুনের বাসা থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ ঘরে ফিরে আসেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার বাবা ও তিনি মসজিদ থেকে বাড়িতে এসে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। ঘরে ঢুকে তারা হালিমা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় চৌকিতে পড়ে থাকতে দেখেন।
তিনি আরো জানান, তার মায়ের নাক ও কানে থাকা স্বর্ণালংকার ছিল না। পাশের ঘরে থাকা ট্রাঙ্কের তালা ভাঙা এবং ট্রাঙ্কের মালামাল চৌকিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ট্রাঙ্কে রাখা জমির দলিল, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্রও পাওয়া যায়নি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









