শেষ মুহুর্তে ঈদের কেনাকাটায় পছন্দের আতর, টুপি, জায়নামাজ ক্রয়-বিক্রয়ের বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই বাজারে ভীড় বেড়ে চলেছে। পাঞ্জাবী, লুঙ্গি, রুমাল,সিলসিয়া সহ অন্যান্য জিনিস ক্রয়ে-বিক্রয়ে ভীড় বাড়ায় বিক্রেতাদের মুখে হাসি বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন আতর, টুপি, জায়নামাজ এসবের দাম বেড়েছে বলছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর গ্রামের রহমান আলী, মিজানুর রহমান এসেছেন উপজেলা সদরে পছন্দের টুপি, জায়নামাজ, আতর কিনতে। তারা বলেন গত বছরের তুলনায় দাম একটু বেড়েছে। তবে পছন্দের বিভিন্ন প্রকার টুপি, আতর বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। দোকানগুলোতে সুতি, মখমল, পশমী বিভিন্ন রকম বৈচিত্র্যময় নকশা করা জায়নামাজ শোভা পাচ্ছে, ক্রেতারা পছন্দ করে ক্রয় করছেন।
মুন্সিগঞ্জ গ্রামের এক শিশু রাকিবুল ইসলাম বলেন বাবার সাথে পাঞ্জাবী, টুপি, জুতা এসব কিনতে এসেছি। নকিপুর গ্রামের যুবক ফারুক হোসেন বলেন সুবাস আতর পছন্দের, সাথে পাকিস্তানি টুপি। ঈদের সময় সাথে জায়নামাজ নিয়ে যেতে হয় নতুন জায়নামাজও পছন্দ করেছি।
উপজেলা সদরের ইসলামিয়া লাইব্রেরীর মালিক ও আতর-টুপি বিক্রেতা মাওলানা ইউনুচ আলী বলেন এবার ঈদে পাকিস্তানী টুপি, বাচ্চাদের রঙিন টুপি পছন্দের তালিকায় বেশি মনে হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকার টুপির দাম জানতে চাইলে বলেন বগিজ টুপি ১০০/, তাহফিজ-১০০/, হাজি টুপি ১৫০/,জাল টুপি ৬০/, রঙিন ভ্যারাইটিজ টুপি ৭০-১৫০/, তজবি ৫০/ থেকে ২০০/,আতর আলিফ ১০০/,সিলসিয়া ১৪০/,জায়নামাজ ৪৫০/থেকে ১০০০/। আতর বাংলাদেশেরটা বেশি চলছে। তবে ক্রেতার পছন্দের তালিকায় আফগান রুমাল,ভিনদেশি আতর, পবিত্র কোরান শরীফ ও রয়েছে। আল নূর লাইব্রেরীর মালিক আতর টুপি বিক্রেতা বলেন শেষ সময়ে আতর-টুপি, জায়নামাজ ক্রয়ে ভীড় বেড়েছে। দেশের পণ্যের পাশাপাশি ভিন দেশের পণ্যেরও চাহিদা রয়েছে। ভারতীয় টুপি, পাকিস্তানি টুপি, আতর এসবের চাহিদা রয়েছে। সকল বিক্রেতা মত প্রকাশ করে বলেন গত বছরের তুলনায় এবার ঈদে ক্রয়-বিক্রয় বেড়েছে। ক্রেতাদের কম দামের পণ্যের চাহিদা বেশি। এ জন্য ফুটপাতের দোকানেও সামর্থ্য অনুযায়ী ক্রেতাদের ভীড় দেখা যাচ্ছে।
ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সকল ধরনের পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ের চাহিদা বাড়ছে। কসমেটিকস দোকান গুলোতে দেখা যায় শিশু থেকে শুরু করে অন্যান্য বয়সের নারীরা পছন্দের চুড়ি ক্রয় করছেন, সাথে ভাল পারফিউম।
সবমিলিয়ে অপেক্ষা পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনের। দেখা হবে, মিলন মেলা হবে পরিবার পরিজন,আতœীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের সাথে। মিলন মেলায় পরিণত হবে এক অটুট বন্ধন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









