The Daily Adin Logo

কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর খালের চরে মাটিচাপা অবস্থায় ফেরদৌস মুন্সি (৪০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালী সাপুড়িয়া খালের পাড় থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফেরদৌস মুন্সি ওই এলাকার রহমান মুন্সির ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে অসুস্থ বাবাকে দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই ফেরদৌস নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালানো হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে মাহিনুর নামে স্থানীয় এক গৃহবধূ মধুখালী সেতুসংলগ্ন সাপুড়িয়া খালের পাড়ে কয়েকটি গাছের ডালের নিচে নতুন করে কাটা নরম মাটি দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি মাটি সরাতে গেলে মরদেহের একটি অংশ দেখতে পান। পরে চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল জানান, বৃহস্পতিবার থেকে ফেরদৌস নিখোঁজ ছিলেন। সকালে বাড়ির সংলগ্ন মধুখালী লেকের পাড়ে নতুন মাটির স্তূপ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা খোঁড়াখুঁড়ি করলে মাটিচাপা মরদেহটি উদ্ধার হয়।

স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাওছার জানান, পারিবারিক জমি বণ্টন সংক্রান্ত একটি সালিশ শুক্রবার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফেরদৌসের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে সবাই তার সন্ধানে নামেন।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীর সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফেরদৌস মুন্সিকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। উদ্ধারকালে রশিটি তার গলায় বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া তার বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল কাটা ছিল।

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফেরদৌস মুন্সি বিবাহিত হলেও তার দাম্পত্য জীবন টেকেনি। তিনি তালাকপ্রাপ্ত, নিঃসন্তান ছিলেন এবং সাংসারিক কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.