বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

খানসামা ফিলিং স্টেশনে প্রকাশ্য জালিয়াতি, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

খানসামা ফিলিং স্টেশনে প্রকাশ্য জালিয়াতি, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় খানসামা ফিলিং স্টেশনে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার হলদিপাড়ায় অবস্থিত পাম্পে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অকটেন নিতে এসে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন মোটরসাইকেল চালকরা।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, ১ হাজার টাকা দিয়ে তেল নিতে গেলে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৮০০ টাকার সমপরিমাণ তেল; একইভাবে ৬০০ টাকার তেলের বদলে দেওয়া হচ্ছে ৫০০ টাকার তেল। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে মাইলেজ কমে যাওয়া এবং তেলের পরিমাণে স্পষ্ট গরমিল দেখে প্রতারণার বিষয়টি টের পাচ্ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ফিলিং স্টেশনটিতে এ ধরনের অনিয়ম চললেও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি বা দৃশ্যমান অভিযান চোখে পড়ছে না; ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহক মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল কিনি; কিন্তু ১ হাজার টাকা দেওয়ার পরও আমাকে ৮০০ টাকার তেল দেওয়া হয়েছে। এটা সরাসরি প্রতারণা।”

আরেক ভুক্তভোগী সোহান আলী বলেন, “আমার ছেলে ৪১৯০ টাকার ডিজেল কিনেছে। পাম্পের কর্মচারীকে ৪৫০০ টাকা দিলে ১৫০ টাকা ফেরত দেয়; বাকি ১৬০ টাকা চাইতে গেলে বলে—‘মহাজনকে বলেন’। পরে মহাজনের কাছে গেলে বাকি টাকাও ফেরত দেয়। এই হলো এই পাম্পের অবস্থা।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, “ওই পাম্পের মালিকদের ব্যবহার প্রচণ্ড খারাপ; তারা গ্রাহকদের সঙ্গে মোটেও ভালো আচরণ করেন না।”

অভিযোগের বিষয়ে ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেনি; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি দেখতেছি।”

এলাকাবাসীর জোরালো দাবি—অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে; তা না হলে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই ‘প্রকাশ্য লুটপাট’ চলতেই থাকবে, আর জ্বালানি খাতে অনিয়ম আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

মাসুদ/খানসামা/অই

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.