পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনায় শেরপুরে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বাঙালির জাতিসত্ত্বার অবিচ্ছেদ্য অংশ প্রাণের উৎসব বাংলা বর্ষবরণ।
বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ বৈশাখী শোভাযাত্রা পুলিশ বাদকদলের ব্যান্ডের তালে তালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ডিসি উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি, পালকি, বাঙালীর নানা ঢংয়ের পোষাক, হাতপাখা, একতারা, নানা রঙের ব্যানার-ফ্যাস্টুন বহন সহ গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এরপর ডিসি উদ্যানে তিন দিনব্যাপী লোকজ মেলার উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান।
এসময় জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাঁকন রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা, পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হকসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।
দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ও বর্ষবরণের বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া জেলার প্রায় শতাধিক গ্রামে বিভিন্ন হাট-বাজার ও স্কুল মাঠে বসেছে লোকজ ও গ্রামীণ বৈশাখী মেলা।
জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান জানান, তিনদিনব্যাপী ডিসি উদ্যানে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ লোকজ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় দেশি বিদেশি এবং শেরপুরের উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। আজ বিকেলে একটি বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









