জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্যমূল্য কিছুটা বাড়তে পাড়ে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে সেটি খুব বেশি বাড়বে না জানিয়ে তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য জ্বালানি তেলে তৈরি না। এটি পরিবহনে তেল লাগে। ম্যানুফেকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতেও জ্বালানি খরচ হয় মোট উৎপাদন খরচের ৭ থেকে ৮ শতাংশ। ফলে পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়বে না।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিলেটে হাম ও রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থির পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশকেও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। ফলে তেলের দাম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি মূল্যের ওপর ভিত্তি করে ভারতসহ বিশ্বের বড় বড় দেশগুলোও তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হওয়ার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যে প্রতি গ্যালন তেলের দাম ছিল ২ ডলার ৮০ বা ৯০ সেন্টের আশেপাশে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তা ৫ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছে।
জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধি যেন সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশে যেন অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতি না ঘটে এবং কৃষকদের চাষাবাদে যেন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সরকার সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
এর আগে সিলেট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় সিলেটে শিগগিরই ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালুর কথা জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









