প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভার কর্মসূচি সোমবার বিকেল ৪টায় থাকলেও সামনে জায়গা নেওয়ার জন্য দুপুর ১টা থেকে মিছিল আসতে থাকে মাঠের দিকে। রোদ আর প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে দুপুর সাড়ে ৩টায় জনসভার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
এরপর মাঠ ছাড়িয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকরা জজ কোর্ট সড়ক, জলেশ্বরীতলা সড়ক, শেরপুর রোড, জিরো পয়েন্ট, সাতমাথা এলাকায় অবস্থান নেন। গোটা এলাকা তখন জনারণ্যে পরিণত হয়।
অনেকে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠের আশপাশের ভবনেও অবস্থান নেন। জজ কোর্টের গওহর আলী ভবনেও দেখা যায় আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের।
ধানের শীষ গায়ে পড়ে জয়পুরহাট থেকে জনসভায় এসেছেন আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসতাম, তার ছেলে তারেক রহমানকেও ভালোবাসি। এতদিন তিনি ছিলেন দলের নেতা। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কাছ থেকে দেখতে সকালেই বগুড়ায় এসেছি।”
প্রচণ্ড রোদের মধ্যে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার তাহেরা বেগমকে। তিনি বলেন, “কাছ থেকে তারেক রহমানকে দেখব তাই সকাল ১১টায় মাঠে এসে সামনে জায়গা নিয়েছি। তাকে দেখব এবং ভাষণ শুনব।”
শহরতলীর বাঘোপাড়া থেকে মা ফাতেমা বেগমের সঙ্গে এসেছে ১২ বছরের লিমা। তার ভাষ্য, “মায়ের কাছে বায়না ধরেছিলাম তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখার জন্য। মা নিয়ে এসেছেন। এতদিন তারেক রহমানকে টেলিভিশনে দেখেছি আজ কাছ থেকে দেখব।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









