দেশের অন্যতম ক্ষরাপ্রবণ অঞ্চল ঝিনাইদহে চলছে মাত্রাতিরিক্ত দাবদাহ ও লোডশেডিং। ঝিনাইদ সদরসহ ৬টি উপজেলাসহ জেলাজুড়ে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে লোকালয় ও প্রাণিকূলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বৈশাখের তীব্র তাপদাহের সাথে যোগ হয়েছে ঘন-ঘন লোডশেডিং। তীব্র তাপদাহ ও লোডশেডিং থাকার কারণে জনজীবন ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। জেলাজুড়ে সকাল থেকেই সূর্যের তীব্র উত্তাপে অসহনীয় দাবদাহের মধ্যে বেশির ভাগ সময় বিদুৎ না থাকার কারণে শ্রমিক শ্রেণি, কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে । তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বলছে, 'এটি কয়েকদিনের জাতীয় সমস্যা হয়েছে। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে চেষ্টা করা হচ্ছে।'
জেলা পল্লী বিদুৎ জেনারেল ম্যানেজার ওমর আলী জানান, 'জেলার ৬টি উপজেলাতে দিনের বেলায় চাহিদা রয়েছে ৭২ মেগাওয়াট ও রাতে ৮০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিডের কারণে বিদুৎ কম থাকলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।'
ওজোপাডিকো গ্রিডের নির্বাহী প্রকৌশলী উত্তম কুমার সাধু বলেন, দিনের বেলায় প্রয়োজন ৭০-৮০ মেগাওয়াট। সাপ্লাই পাচ্ছেন ৫০ মেগাওয়াট। আর রাতের বেলায় ১২০ মেগাওয়াট প্রয়োজন, কিন্তু পাচ্ছেন ১০০ মেগাওয়াট।'
জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সোহাগপুর গ্রামের কৃষক মাকসুদুল হক, শহরের তুলনায় গ্রামে ৭-৮ ঘণ্টা স্থানভেদে আরও বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কৃষকদের সেচ কাজ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সেই সাথে শারীরিকভাবে শিশু, প্রবীণের সাথে প্রচণ্ড দাবদাহে অনেকেই অসুস্থ পড়েছে। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থের পরিমাণও বাড়ছে।'


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









