পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে দপ্তর প্রাঙ্গণে এই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) তপন মজুমদারসহ উপজেলা বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় ৮০০ জন জেলের মাঝে জনপ্রতি দুই মাসের জন্য ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি মসুর ডাল, ১৬ কেজি আলু এবং ১০ লিটার সয়াবিন তেল বিতরণ করা হয়। তবে বিতরণকৃত আলুর মধ্যে পচা থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে, প্রকৃত জেলেরা খাদ্য সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কয়েকজন ইউপি সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বঞ্চিত জেলে নুরু চৌকিদার অভিযোগ করে জানান, তিনি বাঁশবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং তেতুলিয়া নদীর একজন প্রকৃত জেলে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে স্বাবলম্বী ব্যক্তিদের টোকেন দিয়েছেন। এতে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তিনি পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। তিনি প্রকৃত জেলেদের মধ্যে সঠিকভাবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “নুরু চৌকিদারকে তিনি পূর্বেও বিভিন্ন সুবিধা দিয়েছেন এবং পরবর্তী বাজেটে তাকে তালিকাভুক্ত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) তপন মজুমদার বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









