গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া মিশন এলাকার একটি সড়কে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি আংশিক ভেঙে বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় খুঁটিটি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খুঁটিটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বাসিন্দাদের দাবি, সম্প্রতি উপজেলার শিমুলিয়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে প্রাণহানির ঘটনা এখনো মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে। সেই ঘটনার পরও ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিগুলো দ্রুত সংস্কার বা প্রতিস্থাপনে দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তুমিলিয়া এলাকার কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, “বর্ষা মৌসুম ও ঝড়ো আবহাওয়ায় খুঁটিটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এতে সড়কে চলাচলকারী মানুষ এবং যানবাহনের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।”
তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরোনো খুঁটি অপসারণ করে নতুন খুঁটি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পল্লী বিদ্যুতের অবকাঠামো নিয়মিত পরিদর্শনেরও আহ্বান জানান স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আক্তার হোসেন বলেন, “বিষয়টি দ্রুত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে অবহিত করা হবে। আশা করা হচ্ছে, খুব দ্রুতই খুঁটি প্রতিস্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে।”
উল্লেখ্য, গত ৫ মে টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শিমুলিয়া রেলগেট সংলগ্ন পিপুলিয়া এলাকায় ১৭টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। এর মধ্যে একটি খুঁটি চলন্ত অটোরিকশার ওপর পড়ে শারমিন ফেরদৌস (৪৭) নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









