তামিল সিনেমার জনপ্রিয় তারকা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের ৫২তম জন্মদিন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনের নীরবতা ভক্তদের মধ্যে বাড়িয়ে দেয় কৌতূহল।
২২ জুন বিজয়ের জন্মদিনে চলচ্চিত্র ও রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই শুভেচ্ছা জানালেও তৃষার পক্ষ থেকে কোনো বার্তা না আসায় শুরু হয় নানা আলোচনা। সামাজিক মাধ্যমে কেউ দাবি করেন, তিনি নাকি বিজয়কে আনফলো করেছেন। আবার কেউ বলেন, তাদের সম্পর্কের সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে।
তবে এই জল্পনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তৃষা নিজেই একটি পোস্ট দিয়ে সব বিতর্কে ইতি টানেন। বিজয়ের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘এটা সেই ব্যক্তির জন্য, যিনি সবকিছু সার্থক করে তোলেন।’ পোস্টটি প্রকাশের পর দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভক্তদের মধ্যে তৈরি হওয়া গুঞ্জন অনেকটাই স্তিমিত হয়।
দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিজয়-তৃষার বন্ধুত্ব নিয়ে আলোচনা চলে আসছে। সাম্প্রতিক সময়েও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় সেই আলোচনা নতুন করে জোর পায়।
কিছুদিন আগে চেন্নাইয়ের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। পরে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন তৃষা। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে তাকে আবেগাপ্লুত অবস্থায় দেখা যায়, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২০২৩ সালে ‘লিও’ সিনেমা মুক্তির আগে এক সাক্ষাৎকারে তৃষা বলেন, বিজয়ের সঙ্গে তার পরিচয় দুই দশকেরও বেশি সময়ের। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করাকে তিনি ‘নিজের ঘরে ফিরে আসার অনুভূতি’র সঙ্গে তুলনা করেন।
এদিকে চলতি বছরের শুরুতে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনার ঝড় ওঠে। বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন।
এসব ঘটনার পর থেকেই বিজয় ও তৃষার সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে। যদিও এ বিষয়ে তারা কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
২০০৪ সালে ‘গিলি’ সিনেমার মাধ্যমে এই জুটির জনপ্রিয়তা শুরু হয়। এরপর ‘তিরুপাচি’, ‘আদি’, ‘কুরুভি’ ও ‘লিও’-সহ বেশ কয়েকটি সফল সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৩ সালে ‘লিও’ দিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফিরেন এই জনপ্রিয় জুটি।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









