ঘুম না আসার অনেক কারণ থাকতে পারে। এর প্রভাবও পড়ে শরীরে। টানা দুই-তিন রাত ঠিকভাবে ঘুমাতে না পারলে সবকিছু অসহ্য লাগতে শুরু করে। কোনো কাজই ঠিকভাবে করা সম্ভব হয় না। রাতে যতটা সময় জেগে কাটে, দিনে ঠিক ততটাই ঢুলুনির মধ্যে কাটাতে হয়।
সারাদিন চা-কফির মতো ক্যাফেইন গ্রহণ করেও তখন সতেজতা পাওয়া যায় না। কর্মক্ষম থাকার জন্য শরীরের প্রয়োজন বিশ্রাম। দিনটা সুন্দর ও সতেজভাবে কাটানোর জন্য প্রয়োজন রাতের পর্যাপ্ত ঘুম। ভালো ঘুমের জন্য তিনটি বিষয় মেনে চলতে পারেন।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
ঘুমের উন্নতির জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বেছে নেওয়া জরুরি। খাবারে অনিয়ম করা, অর্ধেক রাত পর্যন্ত জেগে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, নিজের পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখা এবং শোবার ঘর ও বাড়ির পরিবেশ নোংরা রাখলে ভালো ঘুম নাও হতে পারে। তাই ঘুমের জন্য সঠিক ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চলতে হবে।
ভারসাম্য বজায় রাখা
দিন কাজের জন্য এবং রাত বিশ্রামের জন্য। প্রকৃতিতে কোনো কিছুই ভারসাম্যহীন নয়। এখনকার বেশিরভাগ মানুষ রাত জেগে থাকতে পছন্দ করেন। তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ সারারাত জেগে সারাদিন ঘুমিয়ে থাকাকে স্মার্টনেস মনে করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা নিজের ক্ষতি করে চলছে। কারণ আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম দিন ও রাতের এই ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। এর ব্যতিক্রম হলে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
নিজের খেয়াল রাখা
ঘুমের সমস্যার আরেকটি কারণ হতে পারে বয়স। সব বয়সীর ঘুমের প্রয়োজন একরকম নয়। একজন শিশু পৃথিবীতে আসার পর বলতে গেলে ২৪ ঘণ্টাই ঘুমিয়ে থাকে। ধীরে ধীরে বয়স বাড়ার সঙ্গে কমতে থাকে ঘুমের পরিমাণ। এর মানে এই নয় যে প্রাপ্তবয়স্করা খুব অল্পই ঘুমান। বরং শরীরে নানা সমস্যার উপস্থিতির কারণে ঘুমে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের দিকে আরও বেশি করে খেয়াল রাখা জরুরি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









