নারীর সাজগোজের বড় একটি অনুষঙ্গ গহনা। মাটি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ধাতু—সবকিছু দিয়েই এখন গহনা তৈরি হচ্ছে। পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে বিভিন্ন ধরনের ও নকশার গহনা পরতে দেখা যায় নারীদের। শাড়ির ধরন অনুযায়ী গহনা বেছে নিলে সাজ আরও মানানসই হয়ে ওঠে।
তাঁত: তাঁতের শাড়ির সঙ্গে জাঙ্ক বা পশ্চিমা ধাঁচের গহনা পরতে পারেন। হাতে চুড়ি ছাড়াও মোটা বালা বা ব্রেসলেট, গলায় বিব নেকলেস অথবা বড় কোনো লকেট পরতে পারেন। সাদামাটা সুতির একরঙা শাড়ির সঙ্গে কড়ি, সুতা ও ধাতুর গহনা মানায়। হাতে বালা বা বড় ডায়ালের ঘড়ি পরলেও ভালো দেখাবে।
সিল্ক বা অ্যান্ডি সিল্ক: সিল্ক বা অ্যান্ডি সিল্ক শাড়ি হলে গহনাটাও হতে হবে জমকালো। এ ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন অ্যান্টিকের ব্রাশ গহনা। এ ছাড়া পোর্সেলিন ও সিরামিকের গহনাও পরতে পারেন। সিরামিকের তৈরি লকেট, কানের দুল ও ধাতুর চুড়িও মানায়।
কাতান: কাতান বা ব্রকেটের শাড়ির সঙ্গে হালকা ধাতুর গহনা পরতে পারেন। এ ছাড়া রুপা ও গোল্ড প্লেটেড গহনাও মানায়। ক্রিস্টাল পুঁতি বা মুক্তার কয়েক লহরের মালাও পরা যেতে পারে।
জর্জেট: জর্জেটের শাড়ির সঙ্গে কাপড়ের মালার চলটা একেবারেই নতুন। এ ছাড়া ক্রিস্টাল পুঁতি বা মুক্তার কয়েক লহরের মালাও পরতে পারেন। নেটের কাপড়ের সঙ্গে মুক্তা বসানো ফিউশনধর্মী গহনাও পরা যায়। রুবি, পান্না ও প্রবালের মালাও বেশ মানানসই।
সুতির ব্লক: সুতির ব্লক বা ভেজিটেবল ডাইংয়ের শাড়ির এখন বেশ চল। এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে আদিবাসী কিংবা কাঠের গহনা, গলায় বিভিন্ন রঙের পুঁতির মালা এবং কানে পালকের দুল মানাবে। আজকাল ময়ূর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের পাখির পালক দিয়ে তৈরি গহনাও পাওয়া যাচ্ছে। টবে কাঠের রঙিন গহনাও এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে ভালো মানায়।
মনে রাখবেন: বিয়ের অনুষ্ঠান ও জমকালো আয়োজনে শাড়ির সঙ্গে ভারী গহনা বেছে নিন। তবে ভারী গহনা হাত, কান ও গলায় একসঙ্গে না পরাই ভালো। এতে সাজ বেমানান লাগে। দিনের অনুষ্ঠানে শাড়ির সঙ্গে হালকা গহনা পরাই ভালো।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









