ইরানের দিকে একটি বিশাল মার্কিন রণতরি (আর্মাডা) এগিয়ে যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট বাতিল করেছে শীর্ষস্থানীয় একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, লুফথানসা, কেএলএম রয়্যাল ডাচ এয়ারলাইন্স এবং এয়ার ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যে হঠাৎ করেই তাদের চলাচল ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, এমন ঘোষণার কারণে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হবে।
এর আগে এয়ার ফ্রান্স এক ঘোষণায় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ২৩ ও ২৪ তারিখে তাদের দুবাইগামী ফ্লাইট চলবে না।
অপরদিকে কেএলএম রয়্যাল ডাচ এয়ারলাইন্স দুবাই, সৌদির রিয়াদ, দাম্মাম এবং ইসরায়েলের তেলআবিবে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট বাতিল করেছে। তারা বলেছে, ইরান, ইরাক ও ইসরায়েলসহ গালফ অঞ্চলের একাধিক দেশের আকাশসীমা এড়িয়ে চলছে তাদের বিমান।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কায় ইউনাইটেড এয়ারওয়েস এবং এয়ার কানাডা ইসরায়েলে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, একটি শক্তিশালী মার্কিন ‘আর্মাডা’ বা রণতরির বহর ইরান অভিমুখে যাত্রা করেছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। এটি সহিংস রূপ ধারণ করলে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী এ বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করে। ওই সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনা্ল্ড ট্রাম্প বলে আসছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ ও ফাঁসি কার্যকর স্থগিত না করে তাহলে তিনি ইরানে হামলা চালানোর নির্দেশ দেবেন।
গত সপ্তাহে ধারণা করা হচ্ছিল, ইরানে যে কোনো সময় হামলা চালাবে মার্কিন সেনারা। কিন্তু ট্রাম্প এ পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে আবারও হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছেন তিনি।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









