মেক্সিকোতে স্প্যানিশ এক শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে মেক্সিকোর পুলিশ। শনিবারের এই হত্যাকাণ্ডকে ফেমিসাইড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ড মেক্সিকো ও স্পেন—দুই দেশেই ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
মেক্সিকোতে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার হার অনেক বেশি। দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ জন নারী হত্যার শিকার হন।
২১ বছর বয়সী ক্লডিয়া টাকোরোন্তে আগুইলেরা শনিবার রাতে মধ্যাঞ্চলীয় শহর কুয়াউতলায় ছুরিকাঘাতে নিহত হন।
গত আগস্টে তিনি স্পেনের গ্রানাডা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেক্সিকোয় আসেন। পড়াশোনার জন্য তিনি মোরেলোস অঙ্গরাজ্যের রাজধানী কুয়ের্নাভাকার অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি অব দ্য স্টেট অব মোরেলোসে ভর্তি হয়েছিলেন।
ক্লডিয়ার হত্যার প্রতিবাদে চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুয়ের্নাভাকা ও কুয়াউতলা—দুই শহরেই কয়েক ডজন শিক্ষার্থী কালো পোশাক পরে বিক্ষোভ করেন। তারা নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হত্যার প্রতিবাদে ‘আর একজনও নয়’ স্লোগান দেন।
মেক্সিকোর নিরাপত্তা মন্ত্রী ওমর গার্সিয়া হারফুচ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ‘এই ভয়াবহ অপরাধের কথিত অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’ এ সময় তিনি এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে ওই ব্যক্তির হাত বাঁধা এবং পরিচয় গোপন রাখতে চোখ কালো করে দেওয়া ছিল।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে এক ব্যক্তিকে হামলার পর দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ধরতে অভিযান শুরু করে।
যে মোরেলোস অঙ্গরাজ্যে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে, সেখানে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংসতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। দেশটির যেসব অঙ্গরাজ্যে হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে, মোরেলোস নিয়মিতভাবেই সেসবের মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: এএফপি


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









