ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড় করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে— বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইরানের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছিল। তবে বিষয়টি নজরে আসার পর হোয়াইট হাউস তা অস্বীকার করেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউস থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা রয়টার্সকে ওই সম্পদ ছাড়ের কথা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পাকিস্তানে তেহরান–ওয়াশিংটনের মধ্যে বৈঠকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে—এটা তারই ইঙ্গিত। ইরানের সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
উল্লেখ্য, আলোচনার আগে তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ দফার মধ্যে ইরানের সম্পদ ছাড়ের বিষয়টিও যুক্ত ছিল।
ওয়াশিংটন ঠিক কোন সম্পদ ছাড় দিতে রাজি হয়েছে, রয়টার্সের সঙ্গে আলাপকালে তা উল্লেখ করেননি ইরানের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।তবে দ্বিতীয় একটি ইরানি সূত্র বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারে আটকে রাখা ইরানের তহবিলের মধ্যে ৬০০ কোটি ডলার ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। এ বিষয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পায়নি রয়টার্স।
এদিকে ইরানের সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সম্পদ ছাড়ের খবর অস্বীকার করেছেন হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা।
সূত্র: রয়টার্স ও আল–জাজিরা


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









