ঘরের টানে বাড়ি ফেরার তাড়া আর ঈদের আনন্দ—দুইয়ে মিলে রোববার ছুটির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছিল সচিবালয়ে। ঈদুল আযহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের দীর্ঘ ছুটি শুরুর আগে বছরের অন্যতম এই শেষ কর্মদিবসে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে দেখা গেছে এক ঢিলেঢালা ভাব।
এদিন কাজের তেমন চাপ ছিল না বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তাদের একজন।
অর্থ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আজ তো তেমন চাপ নাই। মন্ত্রী ও সচিবের দপ্তরে কোনো বৈঠক থাকলে তার সঙ্গে সম্পৃক্ত যারা তারা শুধু কিছুটা ব্যস্ত। অর্থমন্ত্রীর একটি বৈঠক ছিল; সেটিও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ।’
যারা অফিস করছেন তারা ঢিমেতালে শেষদিনের কাজ গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আগামী ২৮ মে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।
ঈদ উপলক্ষে সরকারি ছুটি শুরু হচ্ছে সোমবার। তবে ছুটির আগে শনিবার ও রোববার সরকারি অফিস, আদালত ও সব ব্যাংকের সব শাখা খোলা রাখার কথা বলা হয় প্রজ্ঞাপনে। সে হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারেও অফিস করেছেন সরকারি চাকুরেরা।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও এই ছুটির আওতা বাইরে থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









