ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আপাতত স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা আবেদনের শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে একই দিন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে এবং সোমবারই এর শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ে আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে ওই অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর দাবি করে এনবিআর। ওই দাবি চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। পরে গত বৃহস্পতিবার নতুন বেঞ্চ রুল দুটি খারিজ করে দেন। ফলে আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ৬৬৬ কোটি টাকা আদায়ের সুযোগ পায় এনবিআর।
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আদায়ের বিষয়ে হাইকোর্টের একটি রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করা হয়। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় প্রত্যাহার করেন। একই সঙ্গে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি নতুন বেঞ্চে পাঠানো হলে সেখানেই রিটের ওপর শুনানি শেষে ১০ সেপ্টেম্বর রায় দেওয়া হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









