দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে বগুড়া ও দিনাজপুরের ৮ উপজেলা বাছাই করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হতে পারে। এতে ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর জন্য বছরে সরকারকে গুনতে হবে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের কর্মকৌশল তৈরি শুরু হয়েছে। যা চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত হতে পারে। অর্থের জোগানের জন্য বিদ্যমান কিছু সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে নতুন এই উদ্যোগের সমন্বয় করা হতে পারে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য শুরুতে বগুড়া ও দিনাজপুরের ৮টি উপজেলাকে বাছাই করা হলেও পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। এতে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং সুবিধাভোগী বাছাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা জরিপকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানিয়েছেন, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে নতুন এই উদ্যোগের সমন্বয় করা হচ্ছে। যা বাস্তবায়নে বছরে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থেকে ১ হাজার ২০৩ কোটি টাকা এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল ওম্যান ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি থেকে ২ হাজার ২২৩ কোটি টাকা আসছে। এ ছাড়া বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি থেকে আরো ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা আসতে পারে


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









