বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

চোখের পলকে ডুবল স্বপ্নের ফসল

প্রকাশিত: ০১ মে ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম

আপডেট: ০১ মে ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম

চোখের পলকে ডুবল স্বপ্নের ফসল

## ২০০ কোটি টাকার ধান ডুবল হাওরে
## রোদ ওঠায় কাটা ও শুকানোর ধুম

টানা চারদিনের বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় হাওরে বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকা কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। তবে, বৃষ্টি ও আগাম বন্যায় ২০০ কোটি টাকার ফসল ডুবে যাওয়ায় দিশেহারা অনেকেই। ডুবে যাওয়া পচা ধান তুলে বিপদে পড়েছেন কেউ কেউ।

না পারছেন ফেলতে, না পারছেন চারা ওঠা ধান শুকাতে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন বর্গাচাষিরা। চুক্তি অনুসারে মালিককে ধান দেওয়া, আবাদের জন্য নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করা, সারা বছর সংসার নিয়ে বেঁচে থাকার চিন্তায় পড়েছেন তারা। হাওরজুড়ে এমন বিপর্যয় দেখা দিলেও কৃষি বিভাগ বলছে, ৫০ হাজার টন ধানের ক্ষতি হয়েছে। 

কিশোরগঞ্জ: গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের নিকলী, করিমগঞ্জ ও বাজিতপুরের বিভিন্ন হাওড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকেরা জমিতে পাকা ধান কাটছেন। ট্রাকসহ ছোট-বড় যানবাহনে করে মাড়াইয়ের জন্য কাটা ধান খলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। খলায় স্তূপ করে রাখা ধানও কৃষকেরা রোদে নাড়ছেন। অনেককে ভেজা খড় সড়ক ও খোলা মাঠে ছড়িয়ে শুকাতেও দেখা গেছে। কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে, চারদিকে এখন কর্মচাঞ্চল্য।

হাওরের অন্যতম বড় ধান শুকানোর স্থান মজলিশপুর খলা, যা নিকলী-করিমগঞ্জ সড়কের পাশে। বোরো মৌসুমে যেখানে প্রতিদিন শত শত কৃষক, কিষানি ও শিশু ধান মাড়াই, শুকানো, ঝাড়া ও সেদ্ধ করার কাজে ব্যস্ত থাকেন, সেখানে গত চার দিন ছিল নিস্তব্ধতা। গতকাল সকাল থেকে আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে খলাটি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গিয়ে দেখা গেছে, নারী-পুরুষ সবাই কাজে ব্যস্ত। যেন দম ফেলার ফুরসত নেই কারও। কৃষক রইছ উদ্দিন বলেন, ‘তলিয়ে যাওয়া ধানের চেয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম খলায় স্তূপ করে রাখা পাঁচ-ছয়শ’ মণ ধান নিয়ে। গেল শনিবার শুকানোর জন্য ধানগুলো স্তূপ করে রেখেছিলাম। একদিন সময় পেলেও শুকিয়ে যেত। কিন্তু টানা চারদিন ভারি বৃষ্টি আর ঝড়–তুফানে খলায় আসা যায়নি। রোদ ওঠায় স্তূপ করে রাখা ধান নাড়তে পারছি। যদিও ধানে কিছুটা সমস্যা হয়েছে, তবু বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।’

করিমগঞ্জের খয়রত হাওরে নয়জন শ্রমিক দলবেঁধে ধান কাটছিলেন। তাঁদের নেতা আরজু মিয়া বলেন, ‘নেত্রকোনা থেকে দুই সপ্তাহ আগে কিশোরগঞ্জে এসেছিলাম ধান কাটতে। প্রথমে ভালোই যাচ্ছিল, তবে চারদিন ধরে বজ্রপাতের ভয়ে জমিতে নামার সাহস পাইনি। চারদিন বসে থাকায় আমাদের অনেক লোকসান হয়েছে। ফের ধান কাটা শুরু করেছি। সামনের দিনগুলোতে যেন রোদ থাকে, সেই দোয়া করি।’

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘রোদ ওঠায় ও বৃষ্টি না হওয়ায় বুধবারের তুলনায় পানি অনেকটা কম বেড়েছে। বুধবার যেখানে ইটনার ধনু-বৌলাই নদে ৪৯ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছিল, বৃহস্পতিবার সেখানে ১৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। করিমগঞ্জের চামড়া ঘাটের মগড়া নদীতে ৬৩ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধির জায়গায় দুই সেন্টিমিটার পানি কমেছে। অষ্টগ্রামের কালনী নদীতে বুধবার ৬৯ সেন্টিমিটার বাড়লেও গতকাল বেড়েছে মাত্র এক সেন্টিমিটার। আর ভৈরবের মেঘনা নদীতে বুধবারের হিসাবে ৫৫ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধির জায়গায় বৃহস্পতিবার তিন সেন্টিমিটার কমেছে। যেহেতু রোদ উঠেছে, তাই পাউবো থেকে আমাদের নির্দেশনা থাকবে, যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের সব ধান কেটে ফেলতে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ কয়েকটি উপজেলায় বুধবার বিকেল ৫টার হিসাব অনুসারে চার হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমির ধান নিমজ্জিত হয়েছে। গতকাল বিকেল ৫টার দিকে মোট ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। তবে আশা করছি, আর বৃষ্টিপাত না হলে কৃষকেরা এতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। পানি না বাড়লে যেসব জমি তলিয়ে গেছে, সেগুলোর কিছু অংশ ভেসে উঠবে এবং কিছু ধানও কৃষকেরা তুলতে পারবেন।’

সুনামগঞ্জ: গত চারদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে থেকে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরের পাকা ধান ডুবে গেছে। ফলে হাওরজুড়ে কৃষকদের মধ্যে হাহাকার দেখা গেছে। গতকাল সকালে জগন্নাথপুর উপজেলার দেখার হাওরের গুয়াছুড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে বাতাসের মধ্যেই পানিতে ধান কাটছেন শ্রমিকরা। তাদের সবারই মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত পলিথিনে মোড়ানো। একটু দূরে দাঁড়ানো কৃষক রইছ মিয়ার চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার চাপ। শ্রমিকদের দেখিয়ে দিচ্ছিলেন কোমর সমান পানিতে ধানের ছড়া ভেসে থাকা জমি।

তিনি বলেন, ‘দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এবার আবাদ করেছি। দুশ্চিন্তা এখন তিন ধরনের। চুক্তি অনুসারে মালিকের ধান দেওয়া, আবাদের খরচের ঋণ মেটানো এবং সারা বছর খেয়ে বেঁচে থাকা।’

বয়োজ্যেষ্ঠ কৃষক কমর আলী কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘কেমনে চলমু পুরুত্তাইনরে লইয়া।’ হাওরে এমন অবস্থায় কৃষি বিভাগ বলছে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত নয় হাজার ৪৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতি হয়েছে। এই হিসেবে ৫০ হাজার টন ধানে ক্ষতি ২০০ কোটি টাকারও কম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, উজানের পানিতে নদীর পানি বেড়েছে। হাওরের এই পানি কমতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে।

নলুয়ার হাওরের দাসনোওয়াগাঁও গ্রামের কৃষক সারদা চরন দাস জানান, তিনি ১৬ কেদার জমি আবাদ করেছিলেন। মাত্র এক কেদার জমির ফসল তুলতে পেরেছেন। গত দুদিনের টানা বৃষ্টিতে সব জমি তলিয়ে গেছে। কৃষি শ্রমিক সংকট থাকায় তিনি অনেক চেষ্টা করেও ফসল ঘরে আনতে পারেননি। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল। বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল আমার পরিবার। ধারদেনা করে জমি আবাদ করেছিলাম। এখন সারাবছর কীভাবে চলব?’ চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রনধির দাস নান্টু জানান, নলুয়ার হাওরের অধিকাংশ জমির ফসল তুলতে পারেননি কৃষকরা। শুরুতেই জলাবদ্ধতা, শ্রমিক সংকট ভুগতে হয়। গত দুদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলের সব জমি তলিয়ে গেছে। ধারণা, কমপক্ষে দেড়-দুই হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।

নলুয়ার হাওরের কৃষক এখলাছ মিয়া, মধু মিয়া, গৌরাঙ্গ দাস, হরিন্দ্র দাস বৃষ্টিতে তাদের ফসল তলিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় ভারী বৃষ্টিতে ফসল ডুবে গেছে। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ এবার মরণফাঁদ হয়ে দেখা দিয়েছে। এদিকে অতিবৃষ্টিতে জগন্নাথপুরের মইয়া ও পিংলার হাওরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাওরে আধা-পাকা ধান ডুবে যাচ্ছে। 

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, নলুয়ার হাওরের ৫০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ। জলাবদ্ধতা ও শ্রমিক সংকটে বহু কৃষক ধান তুলতে বেগ পাচ্ছেন। এরই মধ্যে টানা বৃষ্টিতে ফসলের কিছু ক্ষতি করছে। তবে এখনই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। নৌকা দিয়ে ধান তোলার চেষ্টা চলছে। এ বছর জগন্নাথপুর উপজেলায় ২০ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। 

মৌলভীবাজার: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৬২ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তার মাঝে হাওর এলাকায় ৮২.৫ ভাগ, ৩০ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। নন হাওর এলাকার আট হাজার ৬০ হেক্টর জমির ফসল কাটা হয়েছে। এ হার ২৩ শতাংশ। কর্তনের গড় হার ৪৯ শতাংশ। জেলার বিভিন্ন হাওর প্লাবিত হয়ে এক হাজার ১৫০ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৯০ হেক্টর জমি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৮ হাজার ৫০। তবে কাউয়াদীঘি, হাকালুকি, হাইল হাওর, কড়াইয়া, বড়হাওর, পূবের হাওর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানিয়েছেন, পানিতে ডুবে ও শিলাবৃষ্টিতে ২-৩ হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

রাজনগরের কাউয়াদীঘি হাওরপারে গেলে নিদনপুর গ্রামের কৃষক শহর উল্লাহ (৪০) বলেন, ‘এক রাইতের মেঘে (বৃষ্টিতে) সব আশা-ভরসা ভাসাইয়া লইয়া গেছে। বাল-বাইচ্চারে লইয়া হারা বছর কিতা খাইমু? চুক্তি বাগি আনা জমিনের মালিকরে কিতা দিমু এই চিন্তায় রাইত-দিন চউকের পানি অনবরত পড়ের।’

এই কৃষক জানান, চুক্তি বাগি (ফসল যাই হোক এক ফসলের জন্য বিঘাপ্রতি জমির মালিককে তিন-চার মণ দেওয়ার চুক্তি) ১৫ কেয়ার (বিঘা) বোরো জমি এনে ধার-দেনা করে হাইব্রিড জাতের ধান ফলিয়ে ছিলেন। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর ফলন ভালো হয়েছিল। কিন্তু মাত্র দুই কেয়ার জমিনের ফসল কেটে ৪৫-৫০ মণ ঘরে তুলতে পেরেছিলেন। পরশু দিন রাতের বৃষ্টিতে তার সব পাকা ফসল বুক সমান পানিতে তলিয়ে যায়।

তার মতো এই এলাকার মেদিনীমহল, নিদনপুর, ধুলিজোড়া, জামুয়া, কেওলাসহ আশপাশের গ্রামের কৃষকদের ৮ থেকে ১০ হাজার জমির ফসল তলিয়ে গেছে। ঋণের টাকায় আবাদ করে বিপাকে পড়েছেন তিনি। ৩৫-৪০ হাজার টাকা ঋণ কেমনে পরিশোধ করবেন এ চিন্তায় পড়েছেন। 

এ হাওরের উলাউলি, মাটিগোড়া, ফাটাশিঙা বিল এলাকায় চুক্তিবর্গা নিয়ে প্রায় ৫০ বিঘা জমি চাষ করেছিলেন ফতেপুর ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের সুজন মিয়া। হাওরের নিচু এলাকায় তার জমি হওয়ায় সেসব জমিতে আরও বেশি পানি থৈ থৈ করছে। তিনি বলেন, ‘পাকা ধান থাকলেও শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছিলেন না। ৫-৬ কেয়ার ধান কাটার পর এক রাতের বৃষ্টিতে আগামীর স্বপ্ন ডুবে গেছে। যদি ২-৩ দিনের মধ্যে পানি নেমে যায় তবুও কিছু ধান কেটে বাড়িতে আনা যাবে। এতে ২-৪ মাসের খাওয়ার ধান পাওয়া যেতে পারে।’

হাওরপারের কৃষকরা জানান, মনু প্রকল্প এলাকার কাশিমপুর পাম্প হাউসের ৮টি মেশিনে প্রতিদিন লাগাতার সেচ দিলে ২-৩ দিনের মধ্যে হাওরের পানি কমে যাবে। ফলে বেশ কিছু জমির ফসল কাটা যেতে পারে। এর বেশি দিন পানিতে ধান জমে থাকলে পচে যাবে। ফতেপুর ইউনিয়নের মোকামবাজার এলাকার কৃষক শামসুউদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বুরবুরিয়া বিলসহ বিভিন্ন নালা-খাল খনন না করায় ভরে গেছে। এতে স্বল্পমাত্রার বৃষ্টিতে হাওরের উঁচু এলাকার জমিতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়া বৃষ্টির সাথে চারিদিকের পানি নামতে থাকে কাউয়াদীঘি হাওরে। পাম্প হাউস সেচ দিলেও প্রতিদিন আখালিয়া, উদনাছড়াসহ বিভিন্ন খাল-বিল দিয়ে পানি আসায় সেচ দিলেও তিল তিল করে কমছে পানি। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে সব সময় পাম্প হাউস সচল থাকে না। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, গত দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ সংকট না থাকায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাশিমপুর পাম্পগুলো সচল রয়েছে। বর্তমানে মনু প্রকল্প এলাকায় যে পরিমাণ পানির লেভেল থাকার কথা তার চেয়ে কিছুটা বেশি রয়েছে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, বোরো আবাদ এলাকা ঘুরে এবং সাতটি উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.