জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ঋণখেলাপি, ব্যাংক ডাকাত—এই নেতৃত্ব দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ হবে না। যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়া যাবে না। এই বাংলাদেশ আর হামাগুড়ি দিয়ে, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সামনে যাবে—ওটা আমরা চাই না।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ঋণখেলাপি, ব্যাংক ডাকাত—এই নেতৃত্ব দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ হবে না। যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়া যাবে না। যাদের চরিত্রবল আছে, যাদের মধ্যে সততা আছে, দেশপ্রেম আছে, যারা মানুষের সঙ্গে লেগে থাকে সুখে-দুঃখে, যারা বসন্তের কোকিল নয়—বাংলাদেশ গড়া হবে তাদের দিয়ে। এই বাংলাদেশ আর হামাগুড়ি দিয়ে, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সামনে যাবে—ওটা আমরা চাই না।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের যে পরিমাণ টাকা লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে তা দেশের বার্ষিক বাজেটের চার গুণ। এটা জনগণের টাকা। এই টাকা চোররা, ডাকাতেরা, লুণ্ঠনকারীরা চুরি করে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি—ওদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনব এবং সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। তারপর ইনসাফের ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। আর কোনো বেইনসাফি এখানে হবে না, হতে দেওয়া হবে না।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘আর দল, পরিবার, গোষ্ঠীর বিজয় হলে—তারপর জাতির ওপর তাণ্ডব চালানো হবে। ধিক্কার জানাই ওই বিজয়কে। ওই বিজয় আমাদের প্রয়োজন নেই।’
যুবসমাজ বেকার ভাতা চায় না উল্লেখ করে জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘যুবককেরা তো দাবি করে নাই—আমাদের বেকার ভাতা দাও। তারা বলেছে, আমাদের হাতে কাজ দাও। আমরা তাদের সম্মানের কাজ তুলে দেব। সেই কাজ তুলে দেওয়ার একটা পটেনশিয়াল জায়গা হচ্ছে মহেশখালী-কুতুবদিয়া। এখানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কেন্দ্র করে, আমরা সিঙ্গাপুর কিংবা হংকংয়ের চেয়েও ভালো জায়গায় যেতে পারব।’
জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে দলের প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ এবং ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









