এ বছরই নিজেদের প্রথম স্মার্টওয়াচ বাজারে আনছে মেটা। মাঝপথে কাজ বন্ধ রাখলেও এখন আবার স্মার্টওয়াচ প্রকল্পটির কাজ চালু করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্টটি।
প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে মেটা।
ইনফরমেশন প্রতিদেনে লিখেছে, এ বছরই নিজেদের প্রথম স্মার্টওয়াচ বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে কোম্পানিটি। অভ্যন্তরীণভাবে ‘ম্যালিবু ২’ নামে পরিচিত স্মার্টওয়াচ প্রকল্পটি পুনরায় চালু করেছে মেটা। এ স্মার্টওয়াচে মেটা এআই ও স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণ বা হেলথ ট্র্যাকিংয়ের সুবিধা থাকবে।
২০২১ সালেও এমন তথ্য প্রতিবেদনে লিখেছিল ইনফরমেশন। ওই সময় সংবামাধ্যমটি বলেছিল, অ্যান্ড্রয়েডের এক ওপেন সোর্স সংস্করণের স্মার্টওয়াচ নিয়ে কাজ করছে মেটা।
এর পরের এক বছরে এর সম্ভাব্য বিভিন্ন ফিচার সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসে। তখন গুঞ্জন ছিল, মেটার স্মার্টওয়াচে খুলে ফেলা যায় এমন ক্যামেরা থাকবে এবং মেটা এমন মডেল তৈরি করছে, যাতে তিনটি পর্যন্ত ক্যামেরা থাকতে পারে।
তবে ২০২২ সালে শোনা গিয়েছিল, অন্যান্য পরিধানযোগ্য ডিভাইসে বেশি মনোযোগ দিতে এ প্রকল্পটি স্থগিত রেখেছে কোম্পানিটি।
ইনফরমেশন বলছে, ‘রিয়ালিটি ল্যাবস’ বিভাগের খরচ কমানোর বড় এক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ স্মার্টওয়াচ প্রজেক্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মেটা।
এদিকে, জানুয়ারিতে নিজেদের রিয়ালিটি ল্যাবস বিভাগ থেকে এক হাজারেও বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করেছে কোম্পানিটি। কারণ, বিভাগটি প্রচুর লোকসান দিচ্ছিল।
এ ছাঁটাই শুরুর পর এক আর্থিক প্রতিবেদন সভায় মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ বলেছিলেন, রিয়ালিটি ল্যাবসের ক্ষেত্রে কোম্পানি এখন থেকে তাদের বিনিয়োগের সিংহভাগই ‘স্মার্ট গ্লাস ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির’ দিকে সরিয়ে আনছে।
বর্তমানে মেটার পরিধানযোগ্য পণ্যের তালিকায় রয়েছে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট ও স্মার্টগ্লাস। যার মধ্যে ‘মেটা রে ব্যান’ চশমাটি যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
বর্তমানে চারটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি বা এআর ও মিক্সড রিয়ালিটি বা এমআর চশমা তৈরির কাজ করছে মেটা। তবে সেগুলো বাজারে আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
মেটার পরবর্তী মিক্সড রিয়ালিটি হেডসেটের কোড নাম ‘ফিনিক্স’। এর উন্মোচন পিছিয়ে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে গেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









