৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখনো মাঠে গড়ায়নি। আরও সপ্তাহ তিনেক বাকি। অথচ এর মধ্যেই ৬৬ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গেছে। স্পেন, মরক্কো ও পর্তুগালে হতে যাওয়া ২০৩০ বিশ্বকাপে ১৮টি দল বাড়িয়ে ৪৮ দল থেকে ৬৬ দলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব এখন ফিফার ভেতরে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।
প্রস্তাবটি প্রথমে দিয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল। উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের আরও বেশি দেশকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
ফিফা এবং এর শীর্ষ নেতৃত্ব এখন এই ভাবনাটিকে ফুটবলের বহুমাত্রিকতার অংশ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখতে শুরু করেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রায়ই বিশ্বকাপকে একটি ‘উৎসব’ হিসেবে আখ্যা দেন, বিশেষ করে যেসব দেশ কখনো বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য। এই ৬৬ দলের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তের দেশগুলোর জন্য ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।
১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলেছে ৩২টি দল। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া উত্তর আমেরিকা আসরে দল বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষপূর্তিতে ২০৩০ আসরেও একইসংখ্যক দল অংশ নেওয়ার কথা।
দলসংখ্যা বাড়লে যে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর জন্য সুযোগ বাড়ে, সেটির বড় দৃষ্টান্ত এবারের আসরই। এখন ফিফার নীতিনির্ধারক ও কয়েকটি কনফেডারেশনও ভাবছে বিশ্বকাপকে আরও কীভাবে বড় করা যায়।
তবে ঠিক এই মুহূর্তে ৬৬ দলের ভাবনাটি প্রস্তাবনা পর্যায়েই আছে। এটি বাস্তবে রূপ দিতে লম্বা পথই পাড়ি দিতে হবে। তবে একসময় ৪৮ দলের বিশ্বকাপকে ‘পাগলামি’ বলে উড়িয়ে দিলেও সেটি যেমন এখন বাস্তব, দল আরও বাড়ানোর প্রস্তাবও এখন উড়িয়ে দেওয়া যায় না।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









