২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে বর্ষসেরা খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস। ইউনাইটেড তৃতীয় স্থানে থেকে এবারের মৌসুম শেষ করার কারণে আগামী বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
পর্তুগীজ এই মিডফিল্ডার দুর্দান্ত এক মৌসুম উপভোগ করেছেন। আট গোল করা ছাড়াও প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে ২০টি এ্যাসিস্টের রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন। এর আগে এই রেকর্ড গড়েছিলেন থিয়েরি অঁরি ও কেভিন ডি ব্রুইনা। ব্রাইটনের বিপক্ষে একটি ম্যাচ বাকি থাকায় ব্রুনোর সামনে সুযোগ রয়েছে এই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবার।
ম্যানেজার মাইকেল ক্যারিকের অধীনে ব্রুনো তার পারফরমেন্সের উন্নতি করেছেন। তার নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ইউনাইটেডকে ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় ফেরার পথ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন, যা পুরো মৌসুমজুড়ে দলে তার ভূমিকাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
৩১ বছর বয়সি এই ফুটবলার চলতি মৌসুমে বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্যার ম্যাট বিসবি বর্ষসেরা খেলোয়াড়, প্লেয়ার্স প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার ও ফুটবল রাইটার্স এসোসিয়েশন বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার।
এছাড়াও তিনি পেশাদার ফুটবলার্স এসোসিয়েশনের বর্ষসেরা পুরস্কারেরও অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। এই পুরস্কারটি ইংলিশ ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্মানগুলোর একটি, যা প্রথম চালু হয় ১৯৯৪/৯৫ মৌসুমে।
ব্রুনো ফার্নান্দেস এই পুরস্কার জেতা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সপ্তম খেলোয়াড়। এই তালিকায় আরও রয়েছেন ক্লাব কিংবদন্তি পিটার শিমিচেল, রুড ফন নিস্তেরলয়, ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো, নেমাঞ্জা ভিডিচ ও ওয়েইন রুনি।
এই তালিকায় তিনি পিছনে ফেলেছেন আর্সেনালের ডেক্লান রাইস, গ্যাব্রিয়েল মাগালেস ও ডেভিড রায়া, ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের মত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









