অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেতে ১৯২ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। প্রথম ওভারেই ভাঙল উদ্বোধনী জুটি। শূন্য রানে ফিরলেন তানজিদ হাসান।
জেভিয়ার বার্টলেটের করা ইনিংসের প্রথম বলে জোরাল এলবিডব্লিউর আবেদন হয়। তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরের বল বোলারের পাশ দিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন তানজিদ। সহজেই মুঠোয় নেন বার্টলেট।
এক বল পর এলবিডব্লিউর আরেকটি জোরাল আবেদন করে অস্ট্রেলিয়া। তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরের বলে অনেকটা তানজিদের মতোই ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে এবার ক্যাচ নিতে পারেননি সফরকারী পেসার।
ওভারের শেষ বলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন। সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বল বেরিয়ে যেত লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে। তাতে টিকে যান বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।
প্রথম ওভারে কোনো রান করতে পারেনি বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসে ১-৯ ওভার পর্যন্ত হবে প্রথম পাওয়ার প্লে, ১০ থেকে ৩৩ ওভার পর্যন্ত হবে দ্বিতীয় পাওয়ার প্লে আর ৩৪ থেকে ৪১ ওভার পর্যন্ত তৃতীয় পাওয়ার প্লে। একজন বোলার সর্বোচ্চ ৯ ওভার করতে পারবেন।
খেলা থেমে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান। খেলা বন্ধ হওয়ার মুহূর্তে ক্রিজে ছিলেন মার্নাস লাবুশেন (৫৫*) ও নাথান এলিস (২*)। এখন ম্যাচের ভাগ্য অনেকাংশে বৃষ্টির ওপর নির্ভর করছে।
ইনিংসের শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি। তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে টপ অর্ডার একেবারে ধসে পড়ে। ম্যাট শর্ট, কুপার কনোলি ও ম্যাট রেনশ দ্রুত ফিরে যাওয়ায় সফরকারীরা চাপে পড়ে যায়।
পরে জশ ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নিয়মিত উইকেট পতন থামানো যায়নি। মুস্তাফিজুর রহমান তার ধারাবাহিক ফর্ম ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। মাঝে মার্নাস লাবুশেন ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং জাভিয়ার বার্টলেটের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে কিছুটা সামাল দেন। বার্টলেট দ্রুত ৫২ রান করে আউট হলে আবার চাপ বেড়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার।
বাংলাদেশ বোলারদের হয়ে তাসকিন আহমেদ নিয়েছেন ৩ উইকেট, মুস্তাফিজুর রহমানও ৩টি এবং তানভীর ইসলাম ২ উইকেট তুলে নেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









