টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেওয়া ১৭৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের রেবর্ডগড়া জুটিতে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৭৩ রান করে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইঙ্গিত দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু তাদের করা এই স্কোরকে আমলেই নেয়নি কিউইরা।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমেই ৬ বলে দুই চারে ৮ রান করে আউট হন আরিয়ানশ শর্মা। পরের উইকেটে খেলতে নেমে দলনেতা মোহাম্মদ ওয়াসিমের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন আলিসান সারাফু। এছাড়া ফিফটি পূরণের পর ৫৫ রান করে আউট হন সারাফু। তিনি ৪৭ বলে পাঁচ চার ও দুই ছয়ে এই রান করেন। এছাড়া হারসিথ কৌশিক ২, মায়াঙ্ক কুমার ২১, শোয়াইব খান ৭ ও মুহাম্মদ আরফান শূন্যরানে আউট হন।
শেষ পর্যন্ত খেলে যান অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম। ফিফটির পূরণের পর ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওয়াসিম ৪৫ বলে চারটি চার ও তিন ছয়ে ৬৬ রান করেন। আর ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৩ রান করে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে কিউই ওপেনাররা। পাওয়ার প্লেতেই তুলে নেন ৭৮ রান। এরপর আরও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে থাকেন ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৫.২ ওভারেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা। মাত্র ৪২ বলে বারো চার ও তিন ছয়ে ৮৯ রানে সেইফার্ট ও ৫০ বলে পাঁচটি চার ও ছয়ে ৮৪ রানে অ্যালেন অপরাজিত থাকেন।
ওপেনিং জুটিতে সেইফার্ট-অ্যালেন মিলে রেকর্ড গড়ে ১৭৫ রান তুলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেকোনো উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসের দখলে। দুজন মিলে গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি।
আরব আমিরাত: ২০ ওভারে ১৭৩/৬ (ওয়াসিম ৬৬*, শরাফু ৫৫; হেনরি ২/৩৭, স্যান্টনার ১/২৩)।
নিউজিল্যান্ড: ১৫.২ ওভারে ১৭৫/০ (সাইফার্ট ৮৯*, অ্যালেন ৮৪*)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: টিম সাইফার্ট।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









