রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান স্বৈরশাসক (ডিক্টেটর) মিম নিয়ে মুখ খুলেছেন ফরাসি তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভক্ত তাকে এই নামে ডাকেন। এমবাপ্পে বলেছেন, এই তুলনায় একদিকে তিনি মজা পান, আবার অন্যদিকে অস্বস্তিও বোধ করেন।
ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, এই ডাকনাম বেশিরভাগ সময় মজা করেই দেওয়া হয়। তবে ইতিহাসের স্বৈরশাসকদের সঙ্গে তুলনা করাটা তার কাছে শুধু মজার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কারণ এসব স্বৈরশাসক লাখো মানুষের মৃত্যু ও দুর্ভোগের কারণ হয়েছিলেন।
এমবাপ্পে বলেন, বিষয়টা কিছুটা মজার, কারণ কিছু মানুষের কাছে মনে হয় এটা শুধুই একটা রসিকতা। কিন্তু এর একটা গুরুতর দিকও আছে, কারণ আমরা জানি এই ধরনের মানুষরা ইতিহাসে কী ক্ষতি করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা মানুষ হত্যা করেছে, বা লাখো লাখো মানুষের দুর্দশার কারণ হয়েছে, তাদের সঙ্গে আমার তুলনা করা হচ্ছে... আমি মনে করি না আমি জীবনে কখনো এই ধরনের কিছু করেছি।
এমবাপ্পের মতে, এই ডাকনাম মূলত ঠাট্টা হিসেবেই দেওয়া হয়। তবে এর পেছনে কিছুটা রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাবও থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, এখানে বিভিন্ন বিষয় মিশে আছে। একদিকে আমি জানি এটা মজা করে বলা হয়, এতটা গুরুতর নয়। কিন্তু কখনো কখনো এটা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার অভাব প্রকাশ করে।
তবে একজন মানুষ এই রসিকতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। তিনি এমবাপ্পের ফ্রান্স জাতীয় দলের সতীর্থ উসমান দেম্বেলে। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের সাবেক দুই সতীর্থের মধ্যে রয়েছে মজার সম্পর্ক। একবার দেম্বেলে মজা করে এমবাপ্পেকে মোবুতু বলে ডেকেছিলেন। মোবুতু সেসে সেকো ছিলেন জায়ারের স্বৈরশাসক। বর্তমানে দেশটির নাম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র। মোবুতু ২৫ বছর দেশটি শাসন করেছিলেন।
এমবাপ্পে বলেন, দেম্বেলে ভিন্ন। সে সামাজিক মাধ্যমে এই বিষয়টা প্রথম দেখেছিল! সে শুধু হাসে।
ব্যালন ডি অর নিয়েও কথা বলেছেন এমবাপ্পে। এবারের ব্যালন ডি অরের দৌড়ে তিনি কাকে ভোট দেবেন। এমন প্রশ্নের জবাবে রিয়াল মাদ্রিদের তারকা বলেন, আমি কাকে ভোট দেব? নিজেকে। আমার মনে হয়, এই বছর আমি এটা জিততে পারি। তাই আমি নিজেকে এই দৌড় থেকে বাদ দিইনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









