এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে তুলনামূলক দুর্বল পাকিস্তানের কাছে বাজেভাবে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভেস্তে গিয়েছিল বাংলাদেশের। তবুও টিকে ছিল ব্রোঞ্জ পদকের আশা। তবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও বাংলাদেশের অবস্থা সুবিধাজনক নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলের তিন টপ অর্ডারই ফিরেছেন শূন্য রানে।
দলীয় ৪ রানেই বাংলাদেশের প্রথম তিন টপ অর্ডারকে হারিয়েছে। আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দেওয়া তাওহীদ হৃদয় আজও আশা দেখিয়ে ৬ বলে ১১ রান করে ফিরেছেন। ফলে ১৮ রানে বাংলাদেশ হারিয়েছে চতুর্থ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের শুরুটাই বাজেভাবে করেছেন ওপেনার সাইফ হাসান। নুয়ান থুসারার প্রথম ওভারের প্রথম পাঁচ বলেই তিনি খাবি খেয়েছেন। ষষ্ঠ বলে কোনো রান না করেই ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরেছেন তিনি।
দ্বিতীয় ওভারে স্ট্রাইকে গিয়ে তানজিদ হাসান তামিমও নড়বড়ে ব্যাটিং করেছেন থারিন্দু রত্ননায়েকের বলে। দ্বিতীয় বলেই ক্যাচ তুলে দেন তিনি। তার ক্যাচ নেন সাহান আরাচিগে। আগের ম্যাচে মাত্র ২ রানে ফেরা অধিনায়ক লিটন এবার আউট হয়েছেন গোল্ডেন ডাকে। থুসারার প্রথম বলেই উড়ে যায় তার স্টাম্প।
দুটি চারের বাউন্ডারিতে আগের ম্যাচের মতো আশা দেখিয়েছিলেন হৃদয়। কিন্তু ৬ বলে ১১ রান করে রত্ননায়েকের বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন তিনি। ১৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যেন আরেকটি বিপর্যয়েরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লঙ্কানদের শুরুটা ভালো না হলেও মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেনের খরুচে বোলিংয়ে শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। থারিন্দু রত্ননায়েকের ৩২ বলে ৬৫ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তোলে শ্রীলঙ্কা।
বাংলাদেশের পক্ষে মিতব্যয়ী বোলিংয়ে শেখ মেহেদী ২টি এবং আলিস আল ইসলাম ১টি উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমান ৩ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ২টি, সাইফ হাসান ২৮ রান দিয়ে ২টি এবং রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ১টি উইকেট নেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









