চ্যাম্পিয়নস লিগে লাইপজিগকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত দিল রিয়াল মাদ্রিদ। চার দিনের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় বড় জয়। তবে ম্যাচের শেষ দিকে সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয়েছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। বিপরীতে নজর কেড়েছেন আরদা গুলার ও ইয়ান দিয়োমান্দে।
শুরুর একাদশেই ছিল স্বস্তির আভাস। মাঝমাঠে একসঙ্গে খেলেন কামাভিঙ্গা ও বের্নার্দো সিলভা। লা লিগায় নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্লাসিকোতে খেলতে না পারা ভিনিসিয়ুসও মাঠে নামেন। তবে শুরুতে তাকে বেশ নিষ্প্রভ দেখায়। প্রতিপক্ষের রক্ষণে চ্যালেঞ্জ জানানো কিংবা গতি বাড়ানোর পরিচিত তাড়না ছিল না তাঁর খেলায়।
অন্যদিকে ডান প্রান্তে গুলার ছিলেন প্রাণবন্ত। তার পাস, ড্রিবলিং ও আক্রমণ তৈরির দক্ষতায় গতি পায় মাদ্রিদের খেলা। ভালভার্দে ও এমবাপ্পেও তার সঙ্গে আক্রমণে যোগ দেন। যদিও লাইপজিগের রক্ষণ ভাঙতে শুরুতে বেশ বেগ পেতে হয় স্বাগতিকদের।
এ সময় গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া মাদ্রিদকে বিপদ থেকে বাঁচান। রোমুলোকে আটকে দেওয়ার পাশাপাশি ক্রিস্টোফার এনকুনকুর একের পর এক আক্রমণও নস্যাৎ করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ভালভার্দের নিখুঁত ক্রস থেকে গুলারের শটে এগিয়ে যায় মাদ্রিদ। গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে ঢুকলে কাছ থেকে ব্যবধান বাড়ান বের্নার্দো। পরে বেলিংহামের ক্রস থেকে এমবাপ্পের হেড এবং গুলারের আরেকটি গোলে জয় আরও বড় হয়।
তবে ভিনিসিয়ুসকে বদলি করার সময় সমর্থকদের দুয়ো ছিল রাতের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তার জায়গায় নামা দিয়োমান্দে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে আলো কাড়েন। এমবাপ্পের বাঁকানো শটও জালে জড়ায়। অন্যদিকে গোমিস কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে লাইপজিগের হয়ে একটি গোল করেন।
জয় নিয়ে মাদ্রিদ এখন ক্লাসিকোর অপেক্ষায়। তবে ভিনিসিয়ুসের ছন্দে ফেরা এবং দিয়োমান্দের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স—দুটিই রোববারের বার্সেলোনা-মাদ্রিদ লড়াইয়ের আগে আলোচনায় থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









