বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ম্যাচে ওমরজাইয়ের ঝড়ো ফিফটি ও চার ওভারে তিন উইকেট নিয়ে সিলেটকে এনে দিয়েছেন সহজ জয়।
১৬.৫ ওভারে সিলেট টাইটান্স যখন আফিফ হোসেন ধ্রুবকে হারায় তখন তাদের সংগ্রহ ১২২ রান । পরবর্তী আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ইথান ব্রুকসকে সাথে নিয়ে ১৯ বলে ৫১ রান তুলেন । এ পার্টনারশিপ সিলেটের জন্য লড়াকু সংগ্রহে প্রধান ভূমিকা রাখে।
ঢাকা ক্যাপিটালসের তাদের কয়েকটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করায় সিলেটের জন্য এ কাজ আরো বেশি সহজ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আফগান তারকা ওমরজাইয়ের ২৪ বলে ঝোড়ো অর্ধশত রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান সংগ্রহে সক্ষম হয় সিলেট।
ঢাকা তাদের নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান তুললেও শেষ পর্যন্ত সিলেটের কাছে ৬ রানে পরাজিত হয়।
ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের ইনিংশের শুরুতেই ২.১ ওভারে ১ রানে ১ উইকেট হারিয়ে ফেলে, এতে জুবাইদ আকবরি মোহাম্মদ আমিরের প্রথম শিকার হোন।
এরপর ১০ বলের ব্যবধানে ঢাকা তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। পাওয়ারপ্লের শেষ বলে পাকিস্তানি ব্যাটার উসমান খান ১৫ বলে ২১ রানে নাসুম আহমেদের সহজ শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান।
ষষ্ঠ ওভারে বোলিং- এ আসেন ওমরজাই। তিনি দুর্দান্ত ফিফটির পর বল হাতে তার দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে ফেরান সাইফ হাসানকে, যিনি ১৭ বলে ৯ রান করেন। এরপর তৃতীয় বলে মোহাম্মদ মিথুন রানের খাতা খোলার আগেই শূন্য রানেই আউট হোন। ৭.৩ তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ ফাঁদে পড়ে আউট হোন নাসির হোসেন। তিনি চার বল খেলে করেন পাঁচ রান।
শামিম হোসেন শেষ বল পর্যন্ত লড়ায় করে গেলেও ঢাকাকে তিনি শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হোন। শামিম খেলেন হার না মানা ৪৩ বলে ৮১ রানের ইনিংশ ।
ক্যাপিটালসের শেষ ওভারে ২৭ রান দরকার হলেও শামিম, আমিরের করা শেষ ওভারে তিন চার ও এক ছয়ে তুলেন ২০ রান। এতে আমির একটি ওয়াইড ও নো বল দিয়েছেন এবং ঢাকার ইনিংশ থামে ১৬৮ রানে।

সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন







