চুয়াডাঙ্গায় টানা ৬ দিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে স্বাভাবিক জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে ।
এদিতে বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের দেখা মিললেও পর্যাপ্ত উত্তাপ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ
অনেকেই ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও চায়ের দোকান এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষদের খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। শীতের কারণে দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভ্যান-রিক্সা চালক ও দিনমজুরেরা।
জেলার শহরতলী দৌলাতদিয়াড় গ্রামের ভ্যানচালক বশির উদ্দীন বলেন, এত শীতে ভ্যান চালানো খুব কষ্টের। সকালে হাত-পা শক্ত হয়ে যায়, যাত্রীও কম। তবুও সংসার চালাতে ভ্যান নিয়ে সড়কে বের হতে হয়।
পৌর এলাকার সাতগাড়ী গ্রামের রাজমিস্ত্রির লেবার নবী বলেন, আমাদের কাজ দিন হাজিরার কাজ করলে টাকা পায়,না করলে পায় না। সংসার চালাতে শীতের মধ্যেই কাজ করতে হয়। আর যত ঠান্ডায় পড়ুক আমাদের কাজ পানি নিয়ে। সকালে বরফ গলা পানিতে কাজ করতে গেছে শরীর আরও ঠান্ডা হয়ে যায়, তারপরও কাজ কষ্ট করে কাজ করতে হয়।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, শনিবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আজ দেশের সর্বনিম্ন। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পাশাপাশি রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









