মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্রামীণ বাড়িতে পানি সরবরাহের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দুই কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকার বেশি মূল্যের এই প্রকল্পের আওতায় কৌড়ী গ্রামে পাইপ লাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছেন রহমান এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার কর্ণধার সৈয়দ আহমেদ। এই প্রকল্পের আওতায় পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্রামের ও আশপাশের এলাকায় ৩০০ বাড়িতে নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ করা হবে।
এই কাজের জন্য একটি কমিটি করা হবে এবং সেই কমিটি এর দেখভাল করবেন। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাইপ স্থাপনের জন্য বোরিং এর সময় দুর্গন্ধযুক্ত পঁচা গোবর ব্যবহার করা হচ্ছে। যেটা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক কঠিনভাবে নিষিদ্ধ।
এ বিষয়ে একাধিকবার অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ঠিকাদারের পক্ষে কাজ দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মো. বেলাল হোসেন বলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হোসেন গোবর ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তবে, গোবর ব্যবহার করলে বোরিং করতে সুবিধা হয়। আমরা বোরিং করতে গোবর, বেন্টোনাইট-ক্লে এবং লাল মাটি সবকিছুই ব্যবহার করছি।
এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হোসেন বলেন, পরিদর্শনকালে বোরিং এর কাজে গোবর ব্যবহার দেখে মিস্ত্রীদের আমি গোবর ব্যবহারে নিষেধ করেছি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে গোবর ব্যবহারের কথা স্বীকার করে ঠিকাদার সৈয়দ আহমেদ বলেন, সাইড যাতে না ভাঙে তার জন্য গোবর দিতে হয়৷ বেন্টোনাইট দিলে কাজ হয় না। গোবর দিলে কাজ হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য মানিকগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ফাতিমা ফেরদৌসকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









