‘আমার কিছু হবে না। আমাদের টাঙ্গাইলের বড়ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এসব ছোটখাটো ঘটনায় আমার কিছু হবে না। আমার গ্রামের একই পরিবারের দুই সহোদর বিএনপির এমপি।‘ গতকাল রবিবার সকালে মিরপুরের শাহ আলী থানায় নিজ দফতরে বসে গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ করে এমন দম্ভোক্তি করেন ওসি জাহাঙ্গীর আলম। এই দম্ভোক্তির এক ঘণ্টা পরই ওসি জাহাঙ্গীরের প্রত্যাহারের খবর আসে। পুলিশ বিভাগ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
জানা গেছে, মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. হানিফ মিয়া ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। ঘটনার মূল হোতা এবং প্রধান আসামি হানিফ স্থানীয় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। মিষ্টির স্বামী প্রয়াত সায়েদুর রহমান নিউটনের মামাতো ভাই তিনি। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি গত শনিবার বলেন, ‘হানিফ আমার মামাশ্বশুরের ছেলে। আমার নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব খাটান কি না, জানি না। তিনি আমার সঙ্গে এখন আর রাজনীতি করেন না।‘
অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২ কোটি টাকার মিশনে রাড্ডায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং দখলের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে শুধু মিষ্টি নন, রয়েছে যুবদল নেতা সাজ্জাদুল মিরাজসহ মহানগর ও আশপাশের থানা পর্যায়ের বিএনপির নেতারা। পাশাপাশি ওসি জাহাঙ্গীরকে ম্যানেজ করেই এই দখলবাজি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই দুই কোটি টাকার ভাগ পৌঁছেছে ওসি থেকে শুরু করে সবার ঘরেই।
গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা আক্তার তুলি। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা কারও কাম্য নয়। জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং তারা তাদের ওপর আস্থা রাখতে চান। জড়িতরা যে দলেরই হোক, দল বিবেচনা করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে যা ঘটেছে তা বড় অপরাধ এবং এর শাস্তি হবে।
এদিকে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা সরকার চায় না। তারাও চান না। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানবাধিকারকর্মী নুর খান লিটন বলেন, রাজধানীতে মবের মতো করে একটা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। আর সেটা যদি ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতারা জড়িত হয়ে করেন, তাহলে সেটা আরো ভয়াবহ।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারপারসন ও নারী পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরীন পারভিন হক বলেন, গভীর রাতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এভাবে দখল করে নেওয়া খুবই দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে ভালো নয়, তা আমরা প্রতিদিনের পত্রিকা থেকে জানি। সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। সরকারি দলের লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলের নানা অভিযোগ উঠছে। স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্বের সম্পৃক্ততার কথাও পত্রিকায় এসেছে। এগুলো সরকারের ভাবমূর্তির জন্য খুবই নেতিবাচক। এই সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অরাজকতা, দুর্নীতি ও পুলিশ বাহিনীর অসহযোগিতা এখনো নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। কিন্তু আরো অনেক সমস্যা মোকাবিলার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের লাগাম টেনে ধরতে হবে।
জানা গেছে, ঢাকা উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মো. হানিফ মিয়ার নেতৃত্বে এই ভাঙচুর চালানো হয়। প্রথমে তার লোকজন সেখানে অবস্থান নেয়। রাড্ডার আশপাশে তাদের পাহারা দেন শাহ আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের এক নেতা। এ ছাড়া শাহ স্মৃতি মার্কেটের নুরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার তাঁর ছেলে আল আমিনকে ‘রাড্ডা সেন্টারের ভাঙা দেয়ালে টাঙানো ব্যানার কারা নামিয়েছে’, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের জেরা করতে দেখা যায়।
এলাকাবাসী জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি পিকআপ রাড্ডার গেটের সামনে রাখা হয়। এর পাশে ২০-৩০ জন মুখে মাস্ক পরা ছিল। আশপাশে আরো ২০০-৩০০ লোক জড়ো হয়। খবর পেয়ে পুলিশও সেখানে যায়। এক পর্যায়ে পুলিশের সামনেই লুট করা মালপত্র পিকআপে ভরে দুর্বৃত্তরা নিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এ সময় পুলিশ নির্বিকার ছিল। লুটপাট শেষে ভেতরে ভাঙচুর শুরু হয়। ভাঙচুরে অংশ নেওয়া অধিকাংশই লোকই মুখোশ পরা ছিল।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে হামলাকারীরা নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও অর্থ লুট করে। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেয়। ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে এ হামলা চালানো হয়। হামলার পর সেখানে সমিতির সাইনবোর্ডও টাঙিয়ে দেওয়া হয়। সমিতির একটি অফিস মিরপুর-১ নম্বরে বৈশাখী সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায়। গতকাল বিকেলে অফিসটিতে গিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কারা, তাদের নাম-পরিচয়ও কেউ বলছেন না।
লুটের পেছনে চিকিৎসাকেন্দ্রের জমি দখলের চেষ্টা আছে বলে মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে শাহ আলী থানায় হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আকতার। এ ঘটনায় শুক্রবার চারজন এবং গতকাল আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহ আলী থানার পুলিশ। এ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এ ছাড়া রাজধানীর দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে লুট হওয়া বেশকিছু মালপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দারুস সালাম থানার দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে দুটি পিকআপে ভরা অবস্থায় এসব মালপত্র পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে লুট হওয়া ফ্রিজ, ওষুধ, আসবাবসহ বিভিন্ন মালপত্র।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর গতকাল হামের টিকাদান কর্মসূচি পালন করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রাড্ডার ধ্বংসস্তূপে ব্যানার টাঙিয়ে টিকাদানের সামগ্রী নিয়ে বসেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। সেখানে বিভিন্ন বয়সী শিশুদের টিকা দিতে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। দেড় বছর বয়সী শিশু হালিমাকে টিকা দিতে এসে তাঁর মা বলেন, ‘টিকা দিতে মেয়েকে নিয়ে আসলাম। বাসার কাছে এখান থেকে আগেও টিকা দিয়েছি।’
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বলেন, ‘সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছি। সেন্টারের আশপাশের শিশুদের টিকা দিতে যেন কোনো সমস্যায় না পড়ে তাই ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের সেবাটা চালু রাখার চেষ্টা করেছি।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা। মিরপুর শাহ আলীর মাজারের সামনে সমাবেশ থেকে হাসপাতালে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করা হয়। ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর। কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিল। দুষ্কৃতকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।
রাড্ডা সেন্টারে লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন এনসিপির আসিফ মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির ওই সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে সেখানে ‘ধ্বংসযজ্ঞ, লুটতরাজ ও মবতন্ত্র’ কায়েম করা হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করলাম, বিএনপির একজন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির নেতৃত্বে, যার স্বামী এই এলাকার কমিশনার ছিলেন একসময় এবং যার ভাই ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন একসময়, তার নেতৃত্বে ধ্বংসযজ্ঞ, লুটতরাজ, একটা মবতন্ত্র কায়েম করা হলো।
তিনি বলেন, আমরা তাদের সেই সংগ্রামকে সম্মান করি। কিন্তু দেখলাম তার নেতৃত্বে ধ্বংসযজ্ঞ, লুটতরাজ ও মবতন্ত্র কায়েম করা হলো। রাড্ডা সেন্টারের ভেতরের পরিস্থিতি তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, ওষুধ, ইনজেকশন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পর্যন্ত লুট করে নেওয়া হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য রাখা টিকাও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রাড্ডায় ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। গতকাল তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, দিনের পর দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন ভয়াবহ অবনতি ঘটলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যত নিষ্ক্রিয় ভূমিকা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, রাজধানীর বুকে চর দখলের মতো একটি হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দিয়ে দখল করে নেওয়ার ঘটনায় দেশে আদৌ কোনো সরকারের অস্তিত্ব আছে কিনা, তা নিয়েই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
‘মবতন্ত্রের’ অভিযোগ আসিফের, ফেলা হলো দখলদারদের সাইনবোর্ড
ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় হামলা ও ভাঙচুরের উল্লেখ করে মবতন্ত্র কায়েম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। গতকাল মিরপুর ১ নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। পরে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
আসিফ মাহমুদের বক্তব্যের পর সেখানে থাকা সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতির টাঙানো সাইনবোর্ডটি তুলে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’ এবং ‘মবতন্ত্রের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’ স্লোগান দেওয়া হয়।
বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ বলেন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে তাঁরা রাড্ডা সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর জানতে পারেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ওষুধ ও চিকিৎসার বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করে নেওয়া হয়েছে। এমনকি দরিদ্র শিশুদের জন্য রাখা টিকাও লুট করা হয়েছে। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবার জায়গায় এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জার।
এনসিপির এই মুখপাত্র বলেন, শুধু এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র নয়, একই এলাকায় আরো দুটি জায়গায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি স্টুডিওতে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। দুই দিনের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে পুলিশ সদস্যদের সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখানে একটি এক্সক্যাভেটরও আনা হয়েছিল। কোনো স্থাপনা ভাঙার অনুমতি আছে কি না, তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ভাঙচুর শুরু হলে পুলিশ সেখান থেকে চলে যায়।
ভাঙচুরে ক্ষয়ক্ষতির জন্য সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ভবনটি পুনর্নির্মাণ করে সেখানে আবার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করতে হবে।
এছাড়া হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গতকাল স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন করেছে গণঅধিকার পরিষদও।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









