কথা ছিল রাজধানী ঢাকা ঘিরে ফেলা হবে মেট্রোর জালে। গণপরিবহনের বিকল্প নয়, বরং ২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোই হবে ঢাকার মূল গণপরিবহন— বারবার আওড়ানো হয়েছিল এমনই আশাবাদের বুলি। পরিকল্পনায় পাঁচটি পথে বসার কথা ছয়টি রেলপথ। যাতে থাকার কথা ছিল পাতাল ও উড়াল পথের সমন্বয়। কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে সরকার পরিবর্তনে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় বসার পর বন্ধ করে দেওয়া হয় মেট্রোরেল প্রকল্পের সব কাজ। এমনকি মতিঝিল-কমলাপুর অংশের মাত্র এক কিলোমিটারের একটু বেশি পথের কাজও পিছিয়েছে এক বছর। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া প্রকল্পে ভরসা রাখতে পারেনি তৎকালীন ইউনূস সরকার। ‘অতিরিক্ত ব্যয়’হচ্ছে— এমন যুক্তি দেখিয়ে দরপত্রে অংশ নিয়ে সবচেয়ে কম মূল্যে কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেনি তখনকার সরকার।
ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঠিক করা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের (ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট—এমআরটি) লাইনের অগ্রাধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এখন বলা হচ্ছে, যে লাইনটি আগে করা উচিত, সেটি অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার পেছনে। আর যে লাইনটি পরে করলেও চলত, সেটি আগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া এমআরটির নতুন লাইনের প্রাক্কলিত ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে এমআরটি নতুন লাইনের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা হয়নি। এমনকি নির্ধারিত পথও (রুট) ছিল ভুল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এমআরটির নতুন লাইনের অগ্রাধিকার পুনর্বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে প্রকল্পগুলোর প্রাক্কলিত ব্যয়ও পর্যালোচনা করা দরকার।
ঢাকার বুক খুঁড়ে মাটির তল দিয়ে যে ‘পাতালপুরীর’ স্বপ্ন দেখার কথা ছিল, সেই এমআরটি লাইন-১-এর ভবিষ্যৎ এখন ধোঁয়াশায় ঢাকা। যে সুড়ঙ্গ দিয়ে দ্রুতগতির ট্রেনের ছুটে চলার কথা, সেখানে এখন শুধুই অনিশ্চয়তার অন্ধকার। কাগুজে নকশায় সব ঠিকঠাক। ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের বড় অংশই (১৯ দশমিক ৮৭ কিমি) বাস্তবায়ন হওয়ার কথা মাটির নিচে। কথা ছিল ২০২৬ সালের মধ্যে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত মাটির নিচ ও ওপর দিয়ে ছুটবে ট্রেন। দিনে আট লাখ যাত্রী পরিবহন সক্ষমতার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করা এই মেগা প্রকল্প এখন স্থবির। উত্তরা-মতিঝিল রুটের কাজ শেষ পর্যায়ে থাকলেও এমআরটি লাইন-১-এর কাজ শুরুর আগেই খেয়েছে হোঁচট।
দরপত্রের নিয়মে আবার চুক্তির সময় আটকে আছে। আগামী জুনের মধ্যে করতে হবে এই চুক্তি। দরপত্রে অংশ নিয়ে সবচেয়ে কম মূল্যে যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করতে চেয়েছিল, তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে কাজের ভার। তা না হলে ‘বিফলে মূল্যফেরত’ দশা হবে। ফিরিয়ে দিতে হবে জামানত। নতুন করে আহ্বান করতে হবে দরপত্র। তবে এতে ব্যয় যে কমবে না, সেটি নিশ্চিত। কেননা এরই মধ্যে মূল্যস্ফীতির সূচক ঊর্ধ্বমুখী। ডলারের বিপরীতে কমেছে টাকার মান। নির্মাণসামগ্রীর দামও বেড়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা ভবিষ্যৎ যতটুকু দেখছেন, তাতে তাদের বিশ্বাস, জুনের মধ্যে চুক্তি করবে না বর্তমান সরকারও। আর তা যদি হয়ও, তা হতে পারে ১২টি প্যাকেজের মধ্যে দু-একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। বাকিগুলোর কী হবে— এ প্রশ্নের জবাব আপাতত থাকছে অজানাই। কারণ এক পথ নির্মাণ ও বাস্তবায়নের খণ্ড যে ১২টি।
২০২২ সালে শুরু হওয়া এই কাজের জন্য এখন পর্যন্ত নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেনি ডিএমটিসিএল। উল্টো যে দুটি অংশের কাজের জন্য দরপত্র শেষে চুক্তি হয়েছিল, সেগুলোর অগ্রগতিও থমকে। এমনকি চুক্তি বাতিল করতে চেয়ে জাইকাকে চিঠি দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। যদিও তারা তাতে সায় দেয়নি। জবাব ছিল স্পষ্ট, নিয়ম মেনেই টেন্ডার হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকেই কাজ দেওয়া হয়েছে। খোদ ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত মেট্রোর কাজের গতি বাড়াতে সরকারকে দিয়েছিলেন চিঠি। এদিকে পুরনো দরপত্রে খরচ বেড়েছে ৮৫ শতাংশ, নতুনে আরো বাড়বে নিশ্চিতভাবেই। দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণের জন্য ২০১৮ সালের ধারণামূলক নকশা প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয় উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি)। এতে ব্যয় ধরা হয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাইকার বরাদ্দ ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা।
আওয়ামী আমলে পাতাল মেট্রোর ডিপো নির্মাণকাজ শুরু, এরপর আর অগ্রগতি নেই কেন? কাজের অগ্রগতি কতদূর? পাতাল মেট্রোরেলের ভবিষ্যৎই বা কী? পাতালপুরীর পথে ছুটছে না তো পাতাল মেট্রোরেল? রয়েছে এমন আরো বহু প্রশ্ন। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকেই পাওয়া গেল না এসবের উত্তর নেওয়ার। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে আপাতত কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন মো. সারওয়ার উদ্দীন খান। এটি তার অতিরিক্ত দায়িত্ব। বিষয়টি জানতে চাইলে তার সাফ উত্তর ‘না’। তিনি বলেন, আমাদের কথা বলতে মানা করা আছে, যা কথা হবে সবই এমডি স্যারের দপ্তর থেকে। প্রকল্প নিয়ে আমি কোনো কথাই বলতে পারব না।
ডিএমটিসিএলের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রিভিউ শুধুই বাহানা। তলে তলে খোঁজা হচ্ছে নতুন অর্থায়নও। বিকল্প পেলে জাইকার সঙ্গে তর্কে শক্তি পাবে সরকার। জাপানের বদলে ঝুঁকতে পারে কাজ চীনের দিকে। বড় কাজ, লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফলে নতুন বড় বিনিয়োগের আগে গুরুত্ব পাবে সরকারের কূটনৈতিক সমীকরণ। যদিও বিশেষজ্ঞদের ভাবনায়, কাজ দেরি করা ঠিক হবে না। কেননা, মেট্রোতে যাত্রী পাওয়া যায়। এটি দীর্ঘমেয়াদে ঠকাবে না। লাভসহ ফিরে আসবে বিনিয়োগ।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, মেট্রো করতেই হবে। এটা নগর জীবনে শান্তি এনে দিয়েছে। সরকারের উচিত মেট্রোর মতো প্রকল্পের ধারাবাহিকতা ঠিক রাখা। কীভাবে সব ঠিক রেখে দ্রুত মেট্রোরেল বাস্তবায়ন করা যায়— সেই পথ সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে।
জানা গেছে, মূলত প্রশ্ন উঠেছে এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) নিয়ে। এটি গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আসাদগেট, রাসেল স্কয়ার, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাবনগর, আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব, নাসিরাবাদ হয়ে দাশেরকান্দি গিয়ে শেষ হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)-এর চেয়ে লাইন-২ আগে বাস্তবায়ন করা জরুরি। এমআরটি লাইন-২ গাবতলী থেকে শুরু হয়ে ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নিউমার্কেট, আজিমপুর, পলাশী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জে গিয়ে শেষ হবে। এই প্রকল্পের আওতায় গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি লাইন (ব্রাঞ্চ লাইন) যাওয়ার কথা।
পরিকল্পনা কমিশন বলছে, এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)-এর চেয়ে লাইন-২ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অথচ লাইন-২-কে অগ্রাধিকার তালিকার শেষে রাখা হয়েছে। এই প্রকল্পে বলার মতো কোনো অগ্রগতি নেই। অন্যদিকে লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) প্রকল্পের আওতায় বিস্তারিত সমীক্ষা হয়ে গেছে। প্রকৌশলগত নকশা ও ক্রয়পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)-এর আওতায় গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত বর্তমানে খুব বেশি বাণিজ্যিক বা শিল্পাঞ্চল নেই। তা ছাড়া এই রুটটি চলমান লাইন-৬-এর কাছাকাছি। গাবতলী থেকে মাজার রোড, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আদাবর ও আসাদগেটের বাসিন্দারা এক থেকে দুই কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে চলমান এই মেট্রোরেল লাইনের সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ লাইন-২-এর মাধ্যমে বেশি মানুষ সুবিধা পাবে। নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকার সঙ্গে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার সংযোগ স্থাপনকারী প্রস্তাবিত লাইন-২ আগে বাস্তবায়ন করা যৌক্তিক।
নথি বলছে, ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (এসটিপি) প্রণয়ন করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। পরিবহন চাহিদা মেটাতে ছয়টি এমআরটি লাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সমীক্ষা (সার্ভে), নকশা (ডিজাইন), অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ২০১৩ সালে গঠিত হয় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রথম এমআরটি-৬ লাইনের উত্তরা-আগারগাঁও অংশ যাত্রী চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। একই লাইনের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশে যাত্রী চলাচল শুরু হয় ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর। এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)-এর দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার।
ডিএমটিসিএলের তথ্য বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তবে অনুমোদনের আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। অন্যদিকে এমআরটি লাইন-২ বাস্তবায়নে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় পরিকল্পনা কমিশন। চিঠিতে বলা হয়, এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) প্রকল্পটি বিদ্যমান প্রেক্ষাপট ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আবার যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। কমিশনের চিঠি পাওয়ার পর আন্তমন্ত্রণালয় সভা করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সভায় কোন লাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, তা নিয়ে আলোচনা হয়। মেট্রোরেলের নতুন লাইন পুনর্বিবেচনার বিষয়ে অনেকে মতামত দেন।
নথি থেকে আরো জানা গেছে, ছয়টি এমআরটি লাইনের রুট নির্ধারণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নিয়ে কোনো বিশ্লেষণ আগে করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সবগুলো লাইনের সমীক্ষা একসঙ্গে করা উচিত ছিল। কিন্তু সমীক্ষা করা হয়েছে আলাদা আলাদা সময়ে। তা ছাড়া প্রতিটি রুটে বিকল্প কোনো প্রস্তাব রাখা হয়নি। পরিকল্পনা কমিশন বলছে, মেট্রোরেল করলেই হবে না। আর্থিকভাবে লাভবান হবে কি না, তা আগে ভালোভাবে দেখা হয়নি। তা ছাড়া যে সময় এসটিপি করা হয়েছিল, তখন তা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল।
তখনকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আর এখনকার পরিস্থিতি পুরোপুরি ভিন্ন। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে সমীক্ষা করে অগ্রাধিকার ঠিক করা উচিত। এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) নির্মাণের আগে কারিগরি বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে একটি সভা আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক বলেন, মেট্রোরেলের সব লাইন নতুন করে পর্যালোচনা করা উচিত। বিশেষ করে এসব লাইন নির্মাণে যে খরচ ধরা হয়েছে, কীভাবে এ খরচ ধরা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ, এর চেয়ে কম খরচে বিজ্ঞানভিত্তিক আধুনিক সংস্করণে মেট্রোরেল বানানো সম্ভব। চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক দেশ তা করে দেখাচ্ছে। বর্তমান সরকারকে মেট্রোরেলের সব লাইন নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









