সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে গোপন তৎপরতার অভিযোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১১ শিক্ষকের নাম প্রকাশের ঘটনায় গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি তদন্ত কমিটি।
৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রকাশিত তালিকায় থাকা শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম। এবং সদস্য-সচিব হিসেবে আছেন সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ২০ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল কমিটির। তবে নির্ধারিত সময়সীমা গতকাল শেষ হলেও এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি তদন্ত কমিটি।
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বলেন, ‘যে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তার সত্যতা নিরূপণে আমরা কাজ করছি। যে পত্রিকায় এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, তাদের কাছেও আমরা চিঠি পাঠিয়েছি। তবে এখনো তারা কোনো জবাব দেয়নি।’
এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষকের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষকের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ছাড়া আর কারও সম্পৃক্ততা এখনো আমরা পাইনি। চিঠির জবাব পেলে আমাদের জন্য একটু সুবিধা হতো। তবে আমরা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি। নির্ধারিত সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। তাই সময় বাড়ানোর জন্য আমরা আবেদন জানাব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হলে সময় বাড়ানো হবে। তবে কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলব।’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









